Madhyamik Suggestion 2026: টাইম ম্যানেজমেন্ট থেকে ম্যাপ পয়েন্টিং, রইল মাধ্যমিকের ভূগোলে নম্বর বাড়ানোর টিপস
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- hyperlocal
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Madhyamik Suggestion 2026: মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভূগোল বিষয়কে অনেক পরীক্ষার্থীই তুলনামূলক কঠিন বলে মনে করে। তবে সঠিক প্রস্তুতি, প্রশ্নের ধরন বোঝা এবং সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভাল নম্বর পাওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব, এমনটাই জানালেন কাটোয়া ভারতী ভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূগোলের শিক্ষক মৃন্ময় সাহা।
কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভূগোল বিষয়কে অনেক পরীক্ষার্থীই তুলনামূলক কঠিন বলে মনে করে। তবে সঠিক প্রস্তুতি, প্রশ্নের ধরন বোঝা এবং সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভাল নম্বর পাওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব, এমনটাই জানালেন কাটোয়া ভারতী ভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূগোলের শিক্ষক মৃন্ময় সাহা। তিনি জানান, মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষায় এক নম্বর, দুই নম্বর, তিন নম্বর ও পাঁচ নম্বরের প্রশ্ন থাকে। এক নম্বরের প্রশ্নের ক্ষেত্রে টেক্সট বই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালভাবে পড়া এবং অনুশীলনী নিয়মিত প্র্যাকটিস করাই যথেষ্ট।
এমসিকিউ, সত্য-মিথ্যা, শূন্যস্থান পূরণ, স্তম্ভ মেলাও ও এসএকিউ মিলিয়ে মোট ৩৬ নম্বর থাকে। এই অংশে ভালো প্রস্তুতি থাকলে গড় পড়ুয়ারাও ৩০-এর বেশি নম্বর পেতে পারে। দুই নম্বরের প্রশ্নে অধ্যায়ভিত্তিক সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলি ভালোভাবে পড়ার পরামর্শ দেন তিনি। তিন নম্বরের প্রশ্নে সংজ্ঞা, কারণ ও পার্থক্য এই তিনটি বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেন।পাঁচ নম্বরের প্রশ্নের ক্ষেত্রে শিক্ষক মৃন্ময় সাহা জানান, সাধারণত আঞ্চলিক ভূগোল থেকে দুটি এবং প্রাকৃতিক ভূগোল থেকে দুটি প্রশ্ন থাকে। প্রাকৃতিক ভূগোলে বহির্জাত প্রক্রিয়ায় নদী, বায়ু ও হিমবাহের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বায়ুমণ্ডল ও বারিমণ্ডল থেকে একটি প্রশ্ন প্রস্তুত রাখলে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।তিনি আরও জানান, প্রাকৃতিক ভূগোলের ক্ষেত্রে নদী, বায়ু ও হিমবাহের ক্ষয় ও সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ সংক্রান্ত প্রশ্নে অবশ্যই ছবি আঁকতে হবে। কারণ পরীক্ষায় লেখার পাশাপাশি ছবির জন্য আলাদা করে নম্বর বরাদ্দ থাকে।
advertisement
advertisement
ছবি না আঁকলে সম্পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব নয়। প্রাকৃতিক ভূগোলে নদীর ক্ষয় এবং সঞ্চয় ,বায়ুমণ্ডল থেকে বৃষ্টিপাতের শ্রেণীবিভাগ এবং বারিমণ্ডল থেকে সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ এই বিষয় গুলোর উপর জোর দিতে বলেন তিনি। অর্থনৈতিক ভূগোলের ক্ষেত্রে ভারতের কৃষি ও শিল্প অধ্যায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চা ও কফি চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ, পূর্ব ও মধ্য ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠার কারণ, পশ্চিম ভারতে পেট্রোরসায়ন শিল্পের বিকাশ এবং ভারতে জনঘনত্বের তারতম্যের কারণ, এই বিষয়গুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়ার পরামর্শ দেন তিনি। এই প্রশ্নগুলির উত্তরের সঙ্গে ভারতের আউটলাইন ম্যাপে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল চিহ্নিত করলে পরীক্ষকের উপর ভালো প্রভাব পড়ে বলেও জানান তিনি।
advertisement
ম্যাপ পয়েন্টিং সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারতের নদনদী, ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা, স্বাভাবিক উদ্ভিদ, কৃষি, শিল্প, শহর ও বন্দর, এই বিষয়গুলি ভালভাবে প্র্যাকটিস করলে ম্যাপে দশে দশ পাওয়া সম্ভব। ম্যাপে রঙ ব্যবহার না করে শুধু পেন্সিল দিয়েই পয়েন্টিং করার পরামর্শ দেন তিনি। টাইম ম্যানেজমেন্ট প্রসঙ্গে মৃন্ময় সাহা বলেন, পরীক্ষায় একটি প্রশ্ন সম্পূর্ণ শেষ করে তারপর পরবর্তী প্রশ্নে যেতে হবে। মাঝপথে প্রশ্ন ফেলে অন্য প্রশ্নে যাওয়া উচিত নয়। এতে পরীক্ষকের খাতা দেখার সুবিধা হয় এবং নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।সবশেষে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সাজেশন সহায়ক হলেও শুধুমাত্র সাজেশনের উপর নির্ভর না করে পুরো সিলেবাস ভালোভাবে পড়াই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।”
Location :
Katwa,Barddhaman,West Bengal
First Published :
Jan 27, 2026 10:39 PM IST








