নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে, স্কুলছুট পড়ুয়াদের বিদ্যালয়মুখী করতে অভিনব সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। বিদ্যালয় চত্বর থেকে র্যালি করে তারা পৌঁছে যায় বিদ্যালয় সংলগ্ন একাধিক প্রান্তিক গ্রামে। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সাধারণ মানুষ ও স্কুলছুট ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তারা। পড়াশোনার গুরুত্ব, নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপকারিতা এবং শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গঠনের সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতন করেন পড়ুয়ারা।
advertisement
আরও পড়ুন: সংস্কৃত শিখতে আর ভয় নেই! গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলল প্রাচীন ভাষা আয়ত্ত করার ‘ম্যাজিক’ ফর্মুলা
এছাড়াও ছাত্রীরা অভিভাবক ও ছাত্রীদের সরকারি বিভিন্ন শিক্ষাসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা, যেমন কন্যাশ্রী প্রকল্প, মিড-ডে মিল, বিনামূল্যে বই ও পোশাক, বৃত্তি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। অনেক ক্ষেত্রেই আর্থিক অস্বচ্ছলতা বা সচেতনতার অভাব যে স্কুলছুট হওয়ার অন্যতম কারণ, তা চিহ্নিত করে সেগুলি কাটিয়ে ওঠার পথও দেখান তারা। ইতিমধ্যেই কন্যাশ্রী ক্লাবের মেয়েরা স্কুলছুট পড়ুয়াদের নাম নথিভূক্ত করে। তাদের এবং তাদের পরিবারকে সচেতনও করেছে তারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগে সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ডক্টর লক্ষ্মী দাস অট্টসহ অন্যান্য শিক্ষিকাদের। তাঁরা ছাত্রীদের উৎসাহ দেন এবং শিক্ষার প্রসারে এমন উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ছাত্রীদের এই মানবিক ও সচেতনতামূলক প্রচেষ্টা গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে বলে মত স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে শিক্ষিকাদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সকলে।





