যুবক বয়স থেকেই তাঁর হাতেখড়ি। সেই ১৯৮১ সাল থেকে এই কাজ শুরু। এরপর মেদিনীপুর শহরে রক্ত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান তিনি। রাজ্যের একাধিক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করেছেন। আজও অত্যন্ত নির্বিঘ্নে এবং সন্তর্পনে মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে তোলেন এই বৃদ্ধ।
advertisement
অসীমবাবুকে আপাদমস্তক দেখলে মনে হবে সাধারণ একজন মানুষ। তাঁর বয়স ৬৯ বছর। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা তিনি। প্রতিদিন রক্ত নিয়েই তাঁর কাজ। কখনও রক্তদান শিবির, কখনও ইন হাউস ইভেন্ট, আবার কখনও বিভিন্ন হাসপাতালে দৌড়ে গিয়ে রক্তদান করে বহু মুমূর্ষ রোগীকে বাঁচিয়ে তুলেছেন। এটাই যেন তাঁর একপ্রকার নেশা।
রক্ত, যা অর্থের বিনিময়ে কিনতে পাওয়া যায় না বাজারে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে সহজে মেলে না। অসীমবাবুর আবার খুব অপ্রতুল গ্রুপের রক্ত। সামান্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তিনি। এক চিলতে বাড়িতে কোনওভাবে দিন গুজরান করেন। সেই ব্যক্তিই মেদিনীপুর শহরে গড়ে তুলেছেন মেদিনীপুর ডিস্ট্রিক্ট ভলেন্টিয়ারি ব্লাড ডোনার্স ফোরাম। সেই সঙ্গেই বিভিন্ন ব্লকে গড়ে তুলেছেন ফোরামের সাব ইউনিট। যারা প্রয়োজনে রক্তদান শিবির এবং আপৎকালীন ক্ষেত্রে রক্তদান করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রথম বয়সে ভয় দিয়ে শুরু। ভয়কে জয় করে ৬৯ বছর বয়সে এসেও ১২৬ বার রক্তদান করেছেন অসীমবাবু। তাঁর নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত, যা খুবই অপ্রতুল। তবে দীর্ঘ এত বছর ধরে তাঁর এই ভাবনাচিন্তা এবং রক্ত আন্দোলন নিয়ে তাঁর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য।





