আরও পড়ুন: ভারত-পাক ম্যাচে বিতর্কে পাক পেসার, এবার লজ্জা ভুলে হ্যারিস রাউফের বউ যা ছবি দিলেন… ভাইরাল
ঘটনা নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের সীমান্ত লাগোয়া হুদো দিগম্বরপুর গ্রামে। এই গ্রামের তরতাজা যুবক সুব্রত বিশ্বাস, বয়স ৩৬ বছর, পেশায় বিএসএফের কর্মরত কর্মী। তিনি মেঘালয় ১৮৩ নম্বর ব্যাটেলিয়ামে ইকো কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। বাড়ি আসবার জন্য গত ১৯ তারিখে ট্রেনে উঠেছিলেন, সঙ্গে ছিল আরও দুই বন্ধু। ২০ তারিখ সকালবেলায় মালদায় নামার কথা ছিল। ট্রেন ছাড়ে রাত্রি ন’টা নাগাদ। ট্রেনে ওঠার পর সুব্রত বাবু তার স্ত্রীকে জানান, “আমি কালকে সকালে মালদায় নামছি এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি পৌঁছাব”। স্ত্রীর সঙ্গে এটাই ছিল তার শেষ কথা। গভীর রাত্রে তার বন্ধুরা বাড়িতে ফোন করে জানান, সুব্রত বাবুর সমস্ত কিছু রয়েছে, জুতো পর্যন্ত রয়েছে, অথচ তাকে পাওয়া যাচ্ছে না ট্রেনে। পরিবারের লোকজন সকালবেলায় ফোন করে সুব্রত বাবুর কোনও খবর না পেয়ে তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন। দুই বন্ধু যথারীতি মালদা স্টেশনে নেমে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: ভারত-পাক ম্যাচে বিতর্কে পাক পেসার, এবার লজ্জা ভুলে হ্যারিস রাউফের বউ যা ছবি দিলেন… ভাইরাল
কোনও খবর না পেয়ে সুব্রত বাবুর পরিবারের লোকজন মালদায় পৌঁছে যান। তারপর তারা জানতে পারেন, সুব্রত বাবু গাড়ি ছাড়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই নিউ কোচবিহারের রেল লাইনের পাশ থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। রেলের ক্রসিং লাইনের কর্তব্যরত কর্মীরা বুঝতে পারেন ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরপর চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে। বিএসএফের কর্মীরা মৃতদেহ উদ্ধার করে এদিন হুদো দিগম্বরপুরের বাড়িতে নিয়ে এসে পৌঁছায়। কফিনবন্দি দেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। তার ছেলে এবং মেয়ে সুমিত বিশ্বাস বয়স ১৩ বছর ও নাহি বিশ্বাস বয়স মাত্র পাঁচ বছর। নিয়ম অনুযায়ী সেনাবাহিনীর মৃত্যুর পর বিএসএফের পক্ষ থেকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। এরপর সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে মৃত দেহটি নবদ্বীপ মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।






