TRENDING:

West Bardhaman News: স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও ছিল না বিদ্যুৎ পরিষেবা, অবশেষে বসছে খুঁটি! ঝলমলে আলোর আশায় দুর্গাপুরের ৪০ পরিবার

Last Updated:

West Bardhaman News: শিল্পাঞ্চলের কোলে যুগ যুগ ধরে অন্ধকারে ডুবে রয়েছে দুর্গাপুরের এক গ্রাম। যেখানে কিনা স্বাধীনতার ৭৮ বছর পার হয়ে গিয়েছে। সেখানে আজও অন্ধকারে রয়েছেন গ্রামবাসীরা৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
দুর্গাপুর, দীপিকা সরকার: দুর্গাপুরের এক সময়ের এক টুকরো ছিট মহল সোনাইচণ্ডীপুর গ্রামে বহু প্রতীক্ষার পরে বিদ্যুৎ সংযোগ হতে চলেছে। স্মার্ট সিটির যুগে সন্ধ্যা নামতেই ঝলমলে আলোই আলোকিত হয়ে ওঠে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল। যেখানে তীব্র গরমে বর্তমানে বাড়ি বাড়ি চলছে এসি। সেখানে শিল্পাঞ্চলের কোলে যুগ যুগ ধরে অন্ধকারে ডুবে রয়েছে ওই সোনাইচণ্ডীপুর গ্রাম। যেখানে কিনা স্বাধীনতার ৭৮ বছর পার হয়ে গিয়েছে। সেখানে আজও অন্ধকারে রয়েছেন গ্রামবাসীরা৷
advertisement

গ্রামবাসীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দারা পূর্ব বাংলার বাসিন্দা। সত্তর দশকে দেশভাগের সময় তাঁরা ভারতে চলে আসেন। পশ্চিম বাংলার নদিয়া, ২৪ পরগনা, বর্ধমান-সহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস শুরু করেন। ওই জেলা থেকে গত প্রায় ৪০ বছর আগে রুজি রোজগারের টানে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল লাগোয়া সোনাইচন্ডীপুর গ্রাম গড়ে তোলেন প্রায় ৪০ টি পরিবার মিলে।

advertisement

আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার বাঘাডাবর গ্রামে চুরি-ছিনতাই নেমে এল শূন্যতে! পুরো কৃতিত্ব গ্রামবাসীদের, টেকনিক শিখতে মুখিয়ে অন্যান্যরাও

View More

কিন্তু ওই গ্রামটি ভৌগোলিক মানচিত্রে পশ্চিম বর্ধমান জেলা না বাঁকুড়া জেলার অন্তর্গত তা নিয়ে ধন্দে ছিল প্রশাসন। ফলে গ্রামবাসীদের ভোটার কার্ড বা কোনও পরিচয় পত্র এই গ্রামে ছিল না৷ নানা টানাপোড়েনে শেষমেশ দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে মধ্যে গড়ে ওঠা ওই সোনাইচণ্ডীপুর গ্রামের নিজস্ব ভৌগলিক অবস্থান প্রাপ্তি হয়। প্রায় ছ’বছর আগে বাঁকুড়া জেলার অন্তর্গত হয় ওই গ্রাম। ওই বছর প্রথম প্রায় ৭৭ জন বাসিন্দার ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত হয়। ভোটাররা ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে প্রথম গণতন্ত্রের স্বাদ পান।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

এর পরে ওই এলাকায় সরকারি প্রকল্পের কিছু কাজও হয়৷ কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই গ্রামে হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ। বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিতে বহুবার দুই জেলার জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। চলে বহু আন্দোলন ও বিক্ষোভ। বহু আবেদন নিবেদনের করেও কোনও কাজই হচ্ছিল না। বছরের পর বছর কেটে যায় অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায়। আগেকার দিনের মতো অন্ধকারে হ্যারিকেন জ্বালিয়ে পড়াশোনা করে এলাকার পড়ুয়ারা। এবার বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেষমেশ ওই গ্রামে বিদ্যুৎ খুঁটি পুতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য তার টানা হয়েছে৷

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
এবার রবিবারও খোলা থাকবে 'এই' ব্যাঙ্ক! দিঘা–কাঁথি এলাকার গ্রাহকদের জন্য বাড়তি পরিষেবা
আরও দেখুন

গত প্রায় তিন মাস ধরে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিদ্যুৎ দফতর কাজ শুরু করেছে। কাজ শুরু হওয়ায় ও আলোর আশায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি জোয়ার এসেছে গ্রামবাসীদের মধ্যে। তবে এখনও অপেক্ষায় দিন গুনছেন এলাকাবসী। দ্রুত কাজ শেষ হলেই গ্রামে জ্বলে উঠবে আশার আলো৷

বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
West Bardhaman News: স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও ছিল না বিদ্যুৎ পরিষেবা, অবশেষে বসছে খুঁটি! ঝলমলে আলোর আশায় দুর্গাপুরের ৪০ পরিবার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল