তাই এই জায়গাতেই প্রত্যেকদিন শুধু আসানসোল থেকে নয় বরং পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন কয়েক হাজার মানুষ। মন্দারমনির পরেও আরও পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি স্থান রয়েছে যেখানে আপনি পরিবারকে নিয়ে সময় কাটাতে পারেন বা ঘুরে আসতে পারেন। জেনে নিন সেই জায়গাটি। যদি কেউ কলকাতা থেকে ট্রেনে আসেন তাহলে তাকে প্রথমে ট্রেনে করে আসানসোল স্টেশনে আসতে হবে। এরপরে আসানসোল স্টেশন থেকে কাছেই বাসস্ট্যান্ড। বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে রানীগঞ্জ রুটের মিনি বাস ধরে কালিপাহাড়ি মোড়ে নেমে যেতে হবে এবং সেখান থেকেই হাঁটা পথে বা টোটোতে করে পৌঁছে যাবেন শতাব্দী প্রাচীন ঘাগরবুড়ি মন্দির।
advertisement
মহকুমা শহরটির উত্তরে শীর্ণকায় নুনিয়া নদীর তীরে রাঢ় বাংলার এই জাগ্রত দেবী ঘাঘর বুড়ির মন্দির। মন্দিরে তিনটি পাথর রয়েছে যার মধ্যে মাঝের পাথরটা মা ঘাঘর বুড়ি। বাম পাশেই মা অন্নপূর্ণা। ডানে পঞ্চানন মহাদেব। সমগ্র এই মন্দিরটির সবুজ গাছে ঘেরা। পাশাপাশি এই মন্দির এর পিছনে রয়েছে একটি নদী। জলস্রোত ও রয়েছে। যেটি দেখতে অনেকটা ঝর্ণার মত। এখানে শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সবসময় এই জলস্রোত থাকে। সেটি দেখতে অনেকেই আসেন। যদিও নিরাপত্তার কারণে দূর থেকেই দেখতে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: নিজের গয়না বেচে দরিদ্রদের মুখে ভাত তুলে দিচ্ছেন, কুর্ণিশ কাটোয়ার কাজুলীকে
এখানে নামলে অনেক সময় বিপদ ঘটতে পারে। এর পাশাপাশি মন্দির এর পাশেই রয়েছে একটি মহাকাল মন্দির এবং এবং সাইঁবাবা মন্দির। স্বাভাবিকভাবেই এই মন্দির কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পুজোর সামগ্রী বিক্রেতার দোকান। পাশাপাশি বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট এবং খাবারের দোকান ও গড়ে উঠেছে। যার ফলে আর্থিক দিক থেকে সাবলম্বী হতে পারছেন এলাকার ব্যবসায়ীরা।
রিন্টু পাঁজা





