আর সেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যেই পড়ুয়াদের ক্লাস করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য বলেন, “বিদ্যালয়ের অবস্থা বেশ খারাপ। ভাল ভাবে মেরামতপ্রয়োজন রয়েছে। পড়ুয়াদেরও সমস্যায় পড়তে হয়।’’ প্রধান শিক্ষকের কথায়, বিদ্যালয়ের ছাদ ড্যামেজ হয়ে রয়েছে। আর এই ছাদ ড্যামেজ হয়ে থাকার কারণেই বিদ্যালয়ের বারান্দা ও ক্লাসরুমে জল পড়ে। এতে বাচ্চাদেরও অসুবিধা হয়, অনেকে পিছলে পড়েদুর্ঘটনাও ঘটিয়েছে।
advertisement
বর্ষাকালে ক্লাসও চলে একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে। বৃষ্টি হলে ক্লাস নিতেও অসুবিধা হয় শিক্ষকদের, কারণ ছাদ থেকে যে জল পড়ে সেটা ক্লাসরুমেই জমা হয়। স্বভাবতই পড়ুয়াদের ক্লাস রুমে বসতে অসুবিধা হয় এমনকি বইও ভিজে যায়। দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা চলে আসছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শুভ্রা মজুমদার বলেন, “এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এখন দেখছি আরও অসুবিধা হচ্ছে।”
বিদ্যালয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা মোট ৭২ জন। এই ৭২ জন পড়ুয়ার পড়াশোনা সামলাতে হয় মাত্র দুজন শিক্ষককে। শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যও বিদ্যালয়ের তরফে আবেদন জানান হয়েছে। তবে বর্তমানে সবথেকে বড় সমস্যা বিদ্যালয়ের এই বেহাল পরিস্থিতি। যেকোনও সময় ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা। সকলেই চাইছেন যেন দ্রুত বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়।
Banowarilal Chowdhary





