এ বিষয়ে জেলাশাসক বলেন, এই টুর গাইডদের উৎকর্ষ বাংলা থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইডরা রাজ্যের পর্যটন বিভাগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন। এরা যাতে সারা বছর কাজ পান সেই বিষয়ের উপর আমরা নজর দিচ্ছি। এ বিষয়ে বাগমুন্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাত বলেন , সারা ভারতবর্ষের বহু মানুষ পুরুলিয়ায় বেড়াতে আসেন। কিন্তু অনেকেই সঠিক গাইড এর অভাবে সমস্ত জায়গা ঘুরে দেখতে পান না। তাই সরকারিভাবে গাইড থাকলে পর্যটকদের অনেকটাই সুবিধা হবে। পাশাপাশি পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হবে।
advertisement
আরও পড়ুন : শীতে যেন রূপকথাক জগৎ! ঢিল ছোড়া দূরত্বে ‘হবিট হাউজ’, কী ভাবে যাবেন জানেন
এ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক গাইড বলেন , সরকারিভাবে তাদের ট্রেনিং দেওয়ার ফলে অনেকটাই আত্মনির্ভর হতে পেরেছে। সরকারিভাবে তাদের টুরিস্ট গাইড এর কাজ করার পারমিশন হয়ে গিয়েছে। এতে আগামী দিনে রোজগারের বিকল্প রাস্তা হতে পারে এমনটাই আশা রাখছেন তারা। পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে , উৎকর্ষ বাংলার আওতাধীন হয়ে গতবছরই বাঘমুন্ডি ব্লকে দু’ধাপে ‘নিউ ট্যুরিস্ট গাইড ট্রেনিং’ নামে একটি কোর্স করানো হয়। বাঘমুন্ডি ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে দুই ধাপে মোট ৫৪ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারপর পুরুলিয়া শহরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একাধিক ব্লক থেকে আরও ১৫ জন তরুণ-তরুণী এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন।
আরও পড়ুন : ২২ জন শিল্পী আঁকলেন ১২০ ফুটের একই ক্যানভাসে! ট্রাডিশনাল পেইন্টিং-এর অবাক করা প্রদর্শনী
প্রশিক্ষণ শেষে গাইডদের শংসাপত্র প্রদান করা হয়। রাজ্যের পর্যটন বিভাগের তালিকাভুক্ত করে তাদের পরিচয় পত্র দেওয়া হয়।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
এবার আরও একধাপ এগিয়ে তাদের জ্যাকেট, টুপি ও ব্যাচ দেওয়া হল।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





