বাসন্তী থানার ফুল মালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের চাতরাখালি এলাকায় রাস্তার পাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার মানুষ। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি জিয়ারুল যুব তৃণমূল করত, সেই কারণে তাকে প্রায়শই খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
আরও পড়ুন: খড়গপুর আইআইটি-তে মাঝরাতে কমন রুম ‘শেষ’, পড়ে রইল শুধু ছাই! তীব্র আতঙ্ক
advertisement
তাদের দাবি রাজনৈতিক শত্রুতার জেরেই খুন করা হয়েছে জিয়ারুলকে। নিহতের ছেলে মিজানুর মোল্লা বলেন, “বাবাকে অনেকদিন ধরেই মাদার তৃণমূলের লোকেরা নিজেদের সঙ্গে যোগ দিতে বলেছিল, কিন্তু বাবা রাজি হয়নি বলেই তাকে খুন করা হল।” ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: বাজারে সবজির আকাশছোঁয়া দাম! নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন
অপরদিকে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী খলিল হকের ছেলে রাজু হককে অপহরণের অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্র গিতালদহ। জখম তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মাফুজার রহমান সহ ৬ জন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ৩ জনকে কোচবিহারে রেফার করা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
