সোমবার সকালে কুলতলির মৈপীঠের কিশোরীমোহনপুরের দক্ষিণ বৈকুন্ঠপুরের মাকড়ি নদীর চরে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পায় এলাকার এক মৎস্যজীবি। এরপর থেকে বাঘের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে গোটা গ্রাম। মঙ্গলবার সকালে বাঘের অবস্থান বদলে উওর বৈকুন্ঠপুরে চলে আসে। এর পরে ডিএফও নিশা গোস্বামী ও এডিএফও অনুরাগ চৌধুরীর উপস্থিতিতে জঙ্গলের তিনদিক ঘিরে দেওয়া হয় নাইলনের জাল দিয়ে। এর পরে সারা দিন ধরে একাধিকবার চেষ্টা করেও বাঘকে জঙ্গলে ফেরানো যায় না।
advertisement
আরও পড়ুন: ব্রিজ তৈরি হলেও হচ্ছিল না আ্যপ্রোচ রোড! শেষমেশ ১০ বছর পর মুচকি হাসি হাসলেন স্থানীয়রা
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তার পরে এদিন সন্ধ্যায় বাঘ ধরতে ছাগলের টোপ দিয়ে খাঁচা বসানো হয়। এরপরে এদিন রাতে বাজি ফাটিয়ে আগুন জ্বালিয়ে ও বাঘকে জঙ্গলে ফেরানো যায় না। তবে বুধবার ভোরে দক্ষিণ রায় নিজে থেকেই জঙ্গলে ফিরে যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বনবিভাগের আধিকারিক (ডিএফও) নিশা গোস্বামী বুধবার বলেন, “বাঘটি খাঁচায় না ঢুকে নদী পেরিয়ে জঙ্গলে চলে গেছে এদিন ভোরে। আমরা বাঘের চলে যাওয়ার পায়ের ছাপ দেখে নিশ্চিত হয়েছি যে বাঘটি আর লোকালয়ে নেই। তবে আমরা আছি এখনও এলাকায়।” বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঘটি এদিন ওরিয়ান নালার ওপারে আজমলমারির জঙ্গলে ফিরে গেছে। আর দক্ষিণ রায় তাঁর জঙ্গলে ফিরে যাওয়ায় আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে বন কর্মীরা সহ মৈপীঠের মানুষ।
সুমন সাহা





