রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ১৩ টি ব্লক জুড়ে ও পড়শি দেশ বাংলাদেশে এর বিস্তৃতি।সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ একক ম্যানগ্রোভ অরণ্যভূমি অঞ্চল। আর যে অরণ্যভূমি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি।
পৃথিবীতে বাঘের বেশ কয়েকটি উপ-প্রজাতি আছে। তবে আকৃতি এবং সৌন্দর্যে যেসব বাঘ খ্যাতিমান, তার মধ্যে নিঃসন্দেহে সুন্দরবনের বাঘ, অর্থাৎ রয়েল বেঙ্গল টাইগার অন্যতম। এই বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্যান্থেরা টাইগ্রিস’। সুন্দরবনে বিচরণরত এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার পৃথিবীর অন্য সব বাঘের থেকে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যৈ অন্যতম।
advertisement
আরও পড়ুন- বিয়ে করতে মুম্বই থেকে গুয়াহাটি! লাস্ট ট্রেন মিস করলেন বর! কী হল তার পর?
পৃথিবীর অন্যান্য বাঘের থেকে সুন্দরবনের বাঘের আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করলেন সুন্দরবন বিষয়ক গবেষক অনিমেষ মন্ডল।
সুন্দরবন যেহেতু ঘন জঙ্গল, সেই জন্য সুন্দরবনের বাঘ বিবর্তনের মাধ্যমে নিজেদের দেহের আকৃতি ছোট করে ম্যানগ্রোভ বনে টিকে থাকার মতো শারীরিক যোগ্যতা অর্জন করেছে।
বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের বাঘ মূলত গরু, মহিষ ও সাম্বার হরিণের মতো বড় প্রাণী খেয়ে টিকে থাকে। কিন্তু সুন্দরবনের বাঘের প্ৰিয় খাবার হরিণের পাশাপাশি শূকর ও বানরের মতো ছোট প্রাণী। তবে খাবারের তাড়নায় যেকোনো প্রাণীকে আক্রমণ করতে পারে।
সুন্দরবনের বাঘের আরও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এদের পায়ের ছাপ। এরা আকারে অপেক্ষাকৃত ছোট হওয়ায় এদের, বিশেষ করে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গলের পায়ের ছাপও ছোট। প্রতিটি বাঘের পায়ের ছাপও আলাদা হয়। এদের গায়ের ডোরা কাঁটা দাগ। পৃথিবীতে যত বাঘ আছে, তাদের একটির ডোরার সঙ্গে অন্যটির ডোরার মিল নেই।
আরও পড়ুন- হাওড়ার ৩ শতাব্দীর এই কুণ্ডু-চৌধুরী বাড়ির রাস উৎসব, জানুন ইতিহাস
বাঘের স্ট্রাইপ দেখে ভিন্ন বাঘ চিহ্নিত করা যায়। পৃথিবীতে যত বাঘ আছে, প্রত্যেকের স্ট্রাইপ ভিন্ন। পাশাপাশি সুন্দরবনের বাঘের আরও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এরা ভাল সাঁতারু। বিশেষ প্রয়োজনে এরা নদী সাঁতরে জঙ্গলের এক দ্বীপ থেকে অপর দ্বীপে পৌঁছে যায়।
জুলফিকার মোল্লা





