পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন জিওল মাছের চাষ শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনা ও রাজ্য গ্রাম উন্নয়ন দফতরের সহায় সিএডিসির প্রকল্পে কই মাছ চাষ শুরু হয়েছে। তবে সরাসরি পুকুর-ডোবা কিংবা খাল-বিলে নয়, চৌবাচ্চায় কই মাছের চাষ শুরু করা হয়েছে। কই মাছের চাষ শুরু করার পাশাপাশি এই মাছ চাষের সম্প্রসারণ ও ব্যাপ্তি ঘটাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া চলছে। চৌবাচ্চায় কৈ মাছ চাষ অত্যন্ত লাভজনক। কম খরচে সহজেই চৌবাচ্চায় কই মাছের চাষ সম্ভব। ফলে কর্মসংস্থানের দিক থেকে চৌবাচ্চায় কই মাছ চাষ উপযোগী।
advertisement
আরও পড়ুন : নানা রঙের ফুলকপি চাষ করে তাক লাগাচ্ছে কোলাঘাটের এক কৃষক!
বাড়িতে চৌবাচ্চায় সহজে কই মাছের চাষ হয়। কই মাছের চাষের জন্য সময় লাগে চার থেকে পাঁচ মাস। একটি ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫ ফুট প্রস্থ এবং ২.৫ ফুট গভীরতা যুক্ত চৌবাচ্চায় ১০০ কেজি কই মাছ চাষ করা যায়। কই মাছের বর্তমান বাজার মূল্য থেকে হাফ খরচে কই মাছের চাষ হয়। বিলুপ্ত প্রায় জিওল মাছ কই ফেরাতে সিএডিসি প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে কই মাছের পোনা উৎপাদনের পাশাপাশি চৌবাচ্চায় কই মাছ চাষ করা শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য এবং জিওল মাছের সম্প্রসারণ এর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও চলছে।
আরও পড়ুন : দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে প্রশাসনের বড় পরিকল্পনা! দেখে নিন দিঘায় কী বদল আসতে চলেছে
বিলুপ্তপ্রায় কই মাছ চাষের মধ্যে কর্মসংস্থান বিষয়ে সিএডিসির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ডঃ উত্তম কুমার লাহা জানান, ‘কই মাছ প্রায় বিলুপ্ত হওয়ায় বাজারে চড়া দাম রয়েছে। পুরোপুরি বায়োফ্লক পদ্ধতিতে না হলেও মাটির চৌবাচ্চায় পলিথিন দিয়ে কই মাছের চাষ সম্ভব। এই বিলুপ্ত মাছ ফেরাতে সরকারি উদ্যোগে মাছের চারা তৈরি করা হচ্ছে।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
সরকারি উদ্যোগে শুধু কইমাছ নয় সিঙি,মাগুর সহ অন্যান্য জিওল মাছেরও চারা এবং মাছ চাষ সম্প্রসারণ এর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে।
সৈকত শী





