এই বছর অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করেছে তাঁদের ন্যাশনাল ট্র্যাডিশনাল আর্ট ও টেরাকোটা ওয়ার্কশপ। এবারের মূল আকর্ষণ ছিল খেজুর পাতার মাদুরের উপরে ফাইন আর্টসের কাজ, যা ফাইন আর্টসে একেবারেই নতুন। এই সেমিনারে বিভিন্ন রাজ্য ও তথা বিভিন্ন জেলা থেকে শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রকৃতি বাঁচানোর বার্তা দিতে এই ওয়ার্কশপের নাম ছিল ‘প্রকৃতির প্রতিধ্বনি’।
advertisement
আরও পড়ুনঃ রাত বাড়তেই অদ্ভুত আওয়াজ, এলাকা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক কুকুর! আলিপুরদুয়ারে লেপার্ড আতঙ্ক
পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের পাখী পাহাড়ের উপর প্রথম দিনের ওয়ার্কশপ ছিল। পরবর্তী ওয়ার্কশপ হয় পুরুলিয়া শহরে কেতিকাতে। বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বের সমাগম সমৃদ্ধ হয় এই ওয়ার্কশপ।
শিল্পী ভাস্কর ঘোষ বলেন, প্রকৃতি বাঁচানোর বার্তা দিতে এই বছরের এই ওয়ার্কশপ। সকলের থেকে যথেষ্ট ভাল সাড়া পেয়েছেন। প্রকৃতির মাঝে এই ধরনের ওয়ার্কশপ এর আগে কখনও হয়নি। বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের মধ্যে নতুনত্বের ছোঁয়া তুলে ধরতেই এই হিউম্যান ফিগারের উপর টেরাকোটা শিল্প, যা ধীরে ধীরে সকলের পছন্দের হয়ে উঠছে। অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা জানান, তাঁদের এই ওয়ার্কশপ ভীষণ ভাল লেগেছে। টেরাকোটা শিল্পকে নতুনত্বের মধ্যে দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমান প্রজন্ম মোবাইলে আসক্ত। সেখানে এই মডার্ন আর্টের উপর টেরাকোটা শিল্প তাঁদের নতুন কিছু শেখাতে উৎসাহী করে তুলবে। শিল্পীদের রং-তুলির জাদুতে সেজে উঠেছিল এই ওয়ার্কশপ। নাচ-গান-বন ফায়ার, সব কিছুর মধ্যে দিয়ে জমজমাট হয়ে উঠেছিল চারিদিক।





