মৃতের পরিবারের সদস্য মৌমিতা চক্রবর্তীর অভিযোগ, মৃত গৃহবধূ সুকন্যা দেবী তিনি বাড়ির মধ্যেই ছোট্ট বুটিক চালাতেন। স্বামী প্রণব গুপ্ত স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তাদের কোনও সন্তান না থাকার কারণেই বর্তমানে এক কন্যা সন্তান ও গত একবছর আগে এক যুবককে দত্তক নিয়েছিল গৃহবধূ। দত্তক নিয়েছিলেন কৃষ্ণপদ দাস নামের এক যুবককে। আর ঘটনার সুত্রপাত এখান থেকেই।
advertisement
কৃষ্ণপদ দাস তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং সংসার নিয়ে থাকতেন গৃহবধূর বাড়িতেই। কিন্তু সম্প্রতি কৃষ্ণপদ দাস সুকন্যা দেবী ও প্রণব বাবুর উপরেই মানসিক অত্যাচার করতেন বলে অভিযোগ। এমনকি অসুস্থ হলেও কোনও রকম চিকিৎসা করাতেন না। সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ বৃহস্পতিবার রাতে সুকন্যা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কোনও রকম চিকিৎসা করানো হয়নি। বিষক্রিয়া দিয়ে গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পরেই কৃষ্ণ দাস সোনা ও জমির দলিল নিয়ে চম্পট দিয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কান্দি থানার পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে দেহ ময়না তদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের হাতে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।
আরও পড়ুন: খিদিরপুরে কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে কর্মী নিয়োগ! বেতন বড় অঙ্কের, কারা আবেদন করতে পারবেন? জানুন বিশদে
অন্যদিকে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনায় কান্নার রোল নেমে এসেছে গোটা এলাকা জুড়ে। দত্তক নেওয়া সন্তান এমন করতে পারে তাও কল্পনা করতে পারছেন না মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
