জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতের শিফটে অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে ওই স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় কাজ করছিলেন নবীন কুমার। কর্মরত অবস্থায় গরম স্ল্যাগ ভর্তি ল্যাডেল থেকে গলন্ত স্ল্যাগ ছিটকে ঝলসে যায় নবীন কুমার। গুরুতর জখম হয় আরও ছয় শ্রমিক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের ভর্তি করা হয় বিধাননগরের একটি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। মৃত শ্রমিকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে।
advertisement
মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের কোর কমিটি। কোর কমিটির সদস্য বান্টি সিং বলেন, “একটি ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়েছি। এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। মৃত শ্রমিকের পরিবার যাতে সঠিক ক্ষতিপূরণ পায় এবং পরিবারের একজন চাকরি পায় সেই ব্যবস্থা করব। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তার দাবি করব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় তৃণমূল শ্রমিক নেতা নিখিল নায়েক জানান, “কারখানার গাফিলতির কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে এই কারখানায়। মৃত এবং জখমদের ক্ষতিপূরণের দাবি করেছি আমরা।” কারখানা কর্তৃপক্ষ সঞ্জয় গড়াই বলেন, “ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃত শ্রমিকের পরিবারকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। সেই বিষয়ে আলোচনা চলছে।”






