যদিও পুরসভার দাবি, অনেকেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দিতে পারেনি। তবে চলতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা সাফাই কর্মীদের কম দিতে হয়েছে পুরসভার। বালুরঘাট পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার তালিকায় ৮০০ জন সাফাই কর্মী রয়েছে। ওই সাফাই কর্মীদের এক মাসে ২৬ দিন কাজ করানো হয়। ২৪০ টাকা করে দৈনিক মজুরি হিসেবে দিতে হলে একমাসে পুরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করতে হয়। গত নভেম্বর মাস থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে উপস্থিতি চালু হয়। আর এরপরেই দেখা যায় প্রায় ৮০ জনের উপরে কর্মীর কোনও পাত্তা নেই। বায়োমেট্রিক চালু হওয়ায় নভেম্বর মাসে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার সঞ্চয় হয় পুরসভার। আর এরপরই ভুয়ো কর্মী নিয়ে তোলপাড় পড়ে যায়। যদিও কয়েকজন কর্মী নিজেদের ভুলে উপস্থিতি জানাতে পারেননি বলে চিঠি দিয়ে পুরপ্রধানকে তাদের সমস্যার কথা জানিয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: বাঘিনী জিনাতকে বন্দি করতে গিয়ে, অবশেষে কে পড়ল জালে? শুনে আঁতকে উঠবেন
এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, “স্বচ্ছতা আনতে বালুরঘাট পুরসভার সাফাই কর্মীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করেছে। গত নভেম্বর মাস থেকেই এই বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হয়েছে। তবে প্রায় ৮০ জনের কর্মী উপস্থিতি দেননি। ফলে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সেভ হয়েছে৷ অনেকেই আসছেন তাঁরা জানাচ্ছে, তাঁরা বায়োমেট্রিক দিতে পারেনি। পুরো বিষয়টি স্কুটনি করে দেখা হচ্ছে। তবে ৮০ জন কর্মীর বায়োমেট্রিক এক মাস ধরে কেন হল না, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।” জানা গেছে, অনেক ভুয়ো কর্মী শুধুমাত্র সই করেই বেতন তুলে নেন। কাজ না করেই তাঁরা ঘরে বসে এই বেতন পান বলেই অভিযোগ।
—- সুস্মিতা গোস্বামী





