স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত আগরহাটি শেখ পাড়া নিবাসী ওই দম্পতি বাইকে করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরবেড়িয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। রাজবাড়ির কাছে আচমকা চলন্ত বাইক থেকে ছিটকে পড়ে যান তাঁরা। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করেন। এরপর চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
advertisement
দ্বিতীয় দুর্ঘটনায় চলন্ত বাইক থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। মৃতার নাম রীণা শিকারী (৫৫)। ক্যানিং থানার পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিংয়ের ইটখোলা পঞ্চায়েতের বৈকুন্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই মহিলা প্রতিবেশীর এক যুবকের বাইকের পিছনে বসে ক্যানিং আসছিলেন। আচমকা চলন্ত বাইক থেকে রাস্তার উপর পড়ে যান। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তড়িঘড়ি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন বুধবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তৃতীয় দুর্ঘটনাটি এদিন সকালে পাথরপ্রতিমা থানার গঞ্জের বাজার এলাকায় ঘটেছে। কুয়াশার মধ্যে দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে রামগঙ্গার দিকে যাওয়ার সময় অপরদিক থেকে আসা একটি সাইকেলে ধাক্কা মেরে গুরুতর আহত হন বাইক চালক ভলু শেখ। তাঁর বাড়ি দিগম্বরপুরে তেঁতুলিয়ায়। গুরুতর আহত সাইকেল আরোহীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে গদামুদ্রা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে। সেখানে বর্তমানে চিকিৎসা চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ‘সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ’এর বার্তা দেওয়ার পরেও যেন সচেতন হচ্ছে না মানুষ। বেপরোয়াভাবে বাইক চালানোর কারণে বারংবার মৃত্যু-মুখে পড়ছেন তাঁরা।






