স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , গত কয়েক দিন থেকে ঝড়খালি জেটিঘাট সংলগ্ন মাতলা নদী পাড় আচমকায় ধ্বস নামে। ধ্বসের জেরে নদীগর্ভে তলিয়ে যায় একটি ব্যবসায়ী ইউনিয়ন অফিস ও একটি দোকান ঘর এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গাছ নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। এরপর গতকাল গভীর রাত্রে নদী ভাঙনের জেরে ঝড়খালি জেটিঘাটের রাস্তাটি বেশ কিছু অংশ তলিয়ে যায় এবং তলিয়ে যায় ঝড়খালি ইকো ট্যুরিজম গেট। যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার বাসিন্দারা।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘তুমি যে এখানে, কে তা জানত?’, মরশুমের শুরুতেই সুন্দরবন কাঁপাল রয়্যাল বেঙ্গল!
শীতের শুরুতে এভাবে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ঝড়খালির পর্যটন ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের তরফ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ভাঙন রোধের কাজ।। সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঝড়খালি জেটিঘাট সংলগ্ন ছোট ছোট দোকানদারদের। সকাল থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: প্রধান শিক্ষক পেতে চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্কুলগুলো
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী শুলি হালদার জানান, “শীতের মরশুম শুরু হতে ঝড়খালি পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের আনাগোনা একটু বেড়েছে তার মধ্যে এই বিপর্যয়। নদী ভাঙনের জেরে দোকানঘর ভেঙেগিয়েছে। কি খাব কিভাবে সংসার চালাবো বুঝে উঠতে পারছি না। সরকারের তরফ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি অসহায় হয়ে পড়েছি আমরা।”
সুমন সাহা





