নেপাল, সিকিম, দার্জিলিং ও ডুয়ার্স অঞ্চলের একটি প্রাচীন জনজাতি নামে পরিচিত এই জনজাতি। রাইরা প্রকৃতির উপাসক। এই জনজাতির মানুষজন বাঁতাওয়া, চামলিং ভাষায় কথা বলে। কৃষিকাজ ও পশুপালন প্রধান জীবিকা হলেও, এরা সাহসী যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। রাই জনজাতির মানুষেরা এই বাঁশিকে বলে থাকেন ফুং। ৫-৬ ইঞ্চি এই বাঁশিটি। হালকা নয় বাঁশিটি। এর ওজন রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভারী যান চলাচলের নয়া আপডেট! মোহনপুর ব্রিজের লোড ক্যাপাসিটি বেড়ে হল ৩৫ টন, খুশি ব্যবসায়ীরা
বাঁশি বাদক অভি রাই নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে জানা যায়, এই বাঁশির সঙ্গে এক গল্প রয়েছে। পূর্বে রাই জনজাতির মানুষের প্রধান জীবিকা ছিল পশুপালন। গবাদি পশুদের নিয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতেন তারা। তখন এই বাঁশি কাজে লাগত তাঁদের। এই বাঁশি বাজিয়ে গবাদি পশুদের একত্রিত করতেন তারা। আবার দিন এবং রাতের সময় বোঝানোর জন্য এই বাঁশি বাজানো হত পূর্বে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অভি রাই জানান, “দিন পাল্টেছে, আমাদের জীবিকা বদলেছে। পশুপালন এখন পেশা রয়েছে ১০% মানুষের। তারা আর দূরে দূরে যান না। যার ফলে ব্যবহার হয় না এই বাঁশি। কিন্তু আমরা বিভিন্ন এলাকায় খুঁজে এই বাঁশি সংরক্ষণ করছি।” রাই জনজাতির এই বাঁশি এবং অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র সংরক্ষণ করে আসছে ডুয়ার্স রাই জনজাতির মঞ্চ। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিতি হক এই সংস্কৃতির জিনিসগুলির, চাইছেন তারা সকলেই।





