আরও পড়ুন: সামান্য খরচে বাড়িতে আনুন গৌরীর তৈরি পাটের সুদৃশ্য দুর্গা
এই বছর হাওড়ার শরৎ মেলা ৫২ তম বর্ষে পা রাখল। আর তাই শরৎ মেলায় নিয়ে যাওয়া হল দেবানন্দপুরের শরৎচন্দ্রের ভিটের মাটি। সেই মাটি দিয়ে বৃক্ষ রোপন করা হবে হাওড়ার শরৎ মেলায়। পাশাপাশি হাওড়া থেকে আনা বৃক্ষ রোপন করা হল হুগলির শরৎ ভিটেতে। শনিবার ব্যান্ডেল দেবানন্দপুরে শরৎ স্মৃতি গ্রন্থাগার থেকে শরৎ মেলার প্রাথমিক সূচনা করেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল ও চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার।
advertisement
এদিন দেবানন্দপুরের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘুরে দেখেন আমতার বিধায়ক। ঘুরে দেখেন শরৎ স্মৃতি গ্রন্থাগার। অনুষ্ঠান শেষে আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন, শরৎচন্দ্র শৈশব কাটিয়েছেন হুগলির দেবানন্দপুরে আর বার্ধক্য কাটিয়েছেন হাওড়া জেলায়। প্রতি বছর শরৎ মেলা হয়ে থাকে। এবছর সেই মেলার প্রাথমিক সূচনা হল হুগলি থেকে। এখানের মাটি দিয়ে হাওড়ায় বৃক্ষ রোপন করা হবে। আর হাওড়ার বৃক্ষ রোপন করা হল হুগলিতে। ফলে শৈশব আর বার্ধক্যের মিলন হল। আগামী দিনেও এই রীতি যাতে বজায় থাকে সেই চেষ্টা করা হবে।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ইতিমধ্যেই দেবানন্দপুরের শরৎচন্দ্রের বাড়িটিকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে এই স্থানটিকে রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি সৌন্দর্যয়নের কাজ শুরু করা হয়েছে। হাওড়া জেলায় শরৎমেলা হয়ে আসছে বহু দিন ধরে। প্রাথমিকভাবে মেলার সূচনা করেন দেবানন্দপুরের বাড়ি থেকে। এই মেলবন্ধনে খুশি হুগলি ও হাওড়া দুই জেলারই মানুষ। হাওড়ার পানিত্রাস উচ্চ বিদ্যালয়ে ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই শরৎ মেলা।
রাহী হালদার





