আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত JEE Advanced-এর ফলাফল! সারা দেশে প্রথম দিল্লি জোনের রঞ্জিত গুপ্ত
প্রথম ঘটনাটি ঘটে ট্রেন নম্বর ৫৩১৭৫ (শিয়ালদহ – লালগোলা প্যাসেঞ্জার)-এ। এক ব্যক্তি নিজেকে টি টি ই বলে পরিচয় দেন যাত্রীরা তাঁর কাছে নতুন চালু হওয়া অফিসিয়াল ব্যাজ দেখতে চাইলে তিনি নার্ভাস হয়ে পড়েন ও সন্দেহজনক আচরণ করেন ও পরে নিজেকে ভিজিল্যান্স অফিসার পরিচয় দিয়ে যাত্রীদের হয়রানি করছিলেন। সজাগ যাত্রীরা সঙ্গে সঙ্গে ডিউটিতে থাকা রেল কর্মীদের খবর দেন। ওই ব্যক্তি, সঞ্জয় ঘোষাল, কে আরপিএফ পোস্ট কৃষ্ণনগর সিটি জংশন-এ হস্তান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, সে একজন ভুয়ো ভিজিল্যান্স অফিসার ও টি টি ই । তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
advertisement
এরপর আরও একটি ঘটনা ঘটে লক্ষ্মীকান্তপুর স্টেশনে। ডিউটিতে থাকা কিছু টিটিই লক্ষ্য করেন, এক ব্যক্তি জোরপূর্বক যাত্রীদের কাছ থেকে টিকিট চাইছেন এবং নিজেকে রেলকর্মী বলে দাবি করছেন। তাঁর অতি আত্মবিশ্বাসী আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁরা তাঁর অফিসিয়াল ব্যাজ দেখতে চান।
ব্যাজ দেখাতে না পেরে ওই ব্যক্তি অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন এবং অবশেষে ধরা পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আরপিএফ/লক্ষ্মীকান্তপুর-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, “এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করে যে আমাদের নেওয়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর। নতুন ব্যাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে সত্যিকারের টিটিইদের চিহ্নিত করা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনই সাধারণ যাত্রীরাও এখন ভুয়োদের শনাক্ত করতে পারছেন।”
