আরও পড়ুন: ছেলেকে বিমানবন্দরে পৌঁছতে যাচ্ছিলেন বাবা-মা, ট্যাঙ্কারে ধাক্কা গাড়ির! মুহূর্তে শেষ পরিবার
চুলের সৌন্দর্য খারাপ হয়ে যাবে বলে হেলমেট না পরে মোটর সাইকেল চালাচ্ছেন শিক্ষক! অবলীলায় বলছেনও সেকথা। বছর সাতান্নর শিক্ষক বলছেন, “আমার বারগেন্ডি কালারের চুলের সৌন্দর্য খারাপ হয়ে যাবে এই আশঙ্কাতেই আমি হেলমেট পরি না”। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই বার্তা কী ঠিক? গুসকরা পি পি ইন্সটিটিউশনের বাংলার শিক্ষক সানোয়ার হাসান বলেন, “ছাত্ররা মোটর সাইকেল চালায় 70 – 80 কিলোমিটার গতিতে। আমি চালাই 18 কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। সাইকেলের থেকেও কম গতিতে”।
advertisement
এদিন গুসকরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তায় পথ নিরাপত্তা সচেতনতা কর্মসূচি পালিত হচ্ছিল। সেখানে হেলমেট পরা বাইক আরোহীদের হাতে গোলাপ ফুল ও চকোলেট তুলে দেওয়া হয়। সেখানেই দেখা মিলল এই চুলের সৌন্দর্য প্রিয় শিক্ষকের। অবসরের কাছাকাছি সময়ে এসেও চুল সুন্দর রাখার জন্য এই শিক্ষক জীবন দিতেও রাজি একথা বলাই যায়।
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে তুষারপাত হলেও দক্ষিণবঙ্গে এসব জেলায় পড়বে গরম, শুক্রবার থেকেই বাড়বে তাপমাত্রা
উপস্থিত ট্রাফিক পুলিশ অফিসাররা বলছেন, “এমনটা কখনোই কাম্য নয়। হেলমেট পরলে চুলের ক্ষতি হয় একথা মানতে পারা যাচ্ছে না। সকলেই হেলমেট পরছেন। ওনার মতো কয়েকজন ব্যতিক্রম। চুলের জন্য জীবনের ঝুঁকি নেব- এমনটা যুক্তিগ্রাহ্য নয়। উনি যত কম গতিতেই মোটর সাইকেল বা স্কুটি চালান না কেন দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। অনেকে অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান। হেলমেট মাথা রক্ষা করে। এই সুরক্ষা বর্ম জীবন রক্ষা করে। হাত পা সহ অন্যান্য অঙ্গের গুরুতর আঘাত চিকিৎসায় সারিয়ে তোলা যায়। কিন্তু মাথার ক্ষেত্রে তা জটিল আকার ধারণ করে। অনেক সময় মাথার গুরুতর আঘাত মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তাই ওই শিক্ষকের উচিত হেলমেট পরা,সেই সঙ্গে সকলকে হেলমেট পরতে উৎসাহিত করা”।
