আরও পড়ুন: ছেলেকে বিমানবন্দরে পৌঁছতে যাচ্ছিলেন বাবা-মা, ট্যাঙ্কারে ধাক্কা গাড়ির! মুহূর্তে শেষ পরিবার
মা সর্বমঙ্গলাকে বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বলা হয়, তিনি রাঢ়বঙ্গের দেবী। তাই তাঁর আর এক নাম রাঢ়েশ্বরী। বর্ধমানের বাসিন্দারা যেকোনও শুভ কাজ শুরুর মুহূর্তে মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে পুজো দেন। ভক্তদের বিশ্বাস, মা সকলের মনস্কামনা পূরণ করেন। তাই ইংরেজি বছরের প্রথম দিন বাসিন্দারা সারা বছরের মঙ্গল কামনায় পুজো দিলেন।
advertisement
বেলা যত বেড়েছে ততই মন্দিরে ভক্তদের ভিড় বেড়েছে। লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। শুধু বর্ধমানের বাসিন্দারাই নয়,পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন প্রান্ত, পাশের। হুগলি, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ,নদিয়া জেলা থেকে শুরু করে রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে ভক্তরা এসেছিলেন ইতিহাস প্রাচীন এই নবরত্ন মন্দিরে। ভিড় সামাল দিতে একাধিক লাইনের ব্যবস্থা করা হয়। পুজো পর্ব নির্বিঘ্নে সামাল দিতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল বর্ধমান থানা ও বর্ধমান মহিলা থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে তুষারপাত হলেও দক্ষিণবঙ্গে এসব জেলায় পড়বে গরম, শুক্রবার থেকেই বাড়বে তাপমাত্রা
বর্ধমানের মহারাজা এই মন্দির তৈরি করে মা সর্বমঙ্গলাকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে দেবী অষ্টাদশ ভূজা, সিংহবাহিনী। দেবীর পাথরের মূর্তি পাওয়া গিয়েছিল বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়া এলাকায়। বর্ধমানের মহারাজ স্বপ্নাদেশ পেয়ে দেবী মূর্তি নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করেন। তখন থেকেই নিত্যপুজো চলছে। মাকে প্রতিদিন বিভিন্ন ভাজা, সবজি সহ অন্নভোগ নিবেদন করা হয়। তবে মাছের টক মায়ের চাই ই চাই। দুর্গাপুজোর এখানে নবরাত্রি পুজো হোম যজ্ঞ হয়। মহালয়ার পর প্রতিপদে শোভাযাত্রা করে কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট তোলার মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। নবমীতে হয় নবকুমারী পুজো। এছাড়াও পয়লা বৈশাখ, নবান্ন সহ বিশেষ দিনগুলিতে মন্দিরে অগণিত ভক্তের সমাগম হয়।
