এই পরিবারের পূর্বপুরুষ জমিদার রাজবল্লভ রায়চৌধুরী রাস উৎসবের তার সূচনা করেছিলেন। রাস উৎসবকে ঘিরে এক মাসব্যাপী মেলা চলে। সাজানো হয় নাটমঞ্চ। শুধু বারুইপুর নয়, আশপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ এই মেলায় আসেন। পরিবারের এক সদস্য বলেন, জমিদারি প্রথা আজ নেই। কিন্তু তার রীতি নীতি আজও চলে আসছে। বাড়ির মন্দির থেকে রাধা-কৃষ্ণ, বলরামকে শোভাযাত্রা সহকারে রাসমাঠের নাটমঞ্চে নিয়ে আসা যাওয়া হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: শরীরে ব্যথা, ওজন বাড়ছে, হজমে সমস্যা? বহু রোগে মুক্তি দেবে এই পাতা! জানুন সঠিক ব্যবহার
আরও পড়ুন: পাটিসাপটা, পিঠে-পুলি ফেল! এবার খান সুস্বাদু ডিম-কলার পিঠে, মুখে দিলেই শেষ…
তিনদিন ধরে চলে পুজো। পুজোর পরে রাত ১২টা থেকে ফাটানো হয় বাজি। তিনদিন ধরে চলে পুতুল নাচ, তরজা ও যাত্রার আসর। বারুইপুরের স্থানীয় যাত্রাদলই পালা পরিবেশন করে। মেলায় কয়েকশো দোকান বসে। এই রাস মেলাকে ঘিরে বসে সার্কাস। সার্কাসে আগে জীবজন্তুর খেলা বড় আকর্ষণ ছিল। তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে সার্কাসের জৌলুস কমেনি। যুবতীদের ব্যালান্সের খেলার পাশাপাশি আরও চমক থাকবে।
সুমন সাহা





