পুলিশ সূত্রে খবর, এই মামলায় ন’জনকে দোষী সাব্যস্ত করে কল্যানী এডিজে আদালত। মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও গুজরাত থেকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় মোবাইল, ব্যাঙ্ক পাসবুক, চেক বই, প্যান কার্ড-সহ একাধিক নথি। ১০০ টি অ্যাকাউন্ট সিজ করা হয়েছিল। এছাড়াও চার লাখ টাকা সিজ করা হয়েছিল। ৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে নদিয়ার কল্যানী রানাঘাট পুলিশের সাইবার থানায় এক কোটি টাকার সাইবার প্রতারনার অভিয়োগ করে এক ব্যক্তি। তারপরেই পুলিশ তদন্ত করে এই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
প্রসঙ্গত, যুগ যেমন বদলাচ্ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলাচ্ছে অপরাধের ধরণ। ভারতবর্ষ ডিজিটাল পরিষেবায় যত উন্নত হচ্ছে ততই ডিজিটাল প্রতারণার দিনের পর দিন নতুন নতুন রাস্তাও তৈরি হচ্ছে। সেই রাস্তাগুলির মধ্যেই অন্যতম এক রাস্তা এই ডিজিটাল অ্যারেস্ট! যেখানে কোনও এক ব্যক্তিকে পুলিশের ঊর্ধি পড়ে পিছনে ব্যাকগ্রাউন্ডে থানার ভিসুয়াল দেখিয়ে অফিসার সেজে কল করবে।
যদিও সেই অফিসার এবং তার নাম পরিচয় সম্পূর্ণ ভুয়ো! এরপরই বিভিন্ন রকম ছলচাতুরি করে ওই ব্যক্তিকে বোঝানো হবে যে উনি ডিজিটাল অ্যারেস্ট হয়েছেন কোনও কারনে। অর্থাৎ এই অ্যারেস্ট এর নিয়ম অনুযায়ী ওই ব্যক্তি বাড়িতে বন্দী থাকবে কোন রকম কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। এরপরই ছলে বলে কৌশলে ওই প্রতারকরা তার থেকে ব্যাংক একাউন্টের তথ্য কিংবা মোটা অংকের নগদ অর্থের দাবি করবে।
তবে সাইবার ক্রাইম বিভাগ জানাচ্ছে, ভারতবর্ষের আইনে এই ধরনের ডিজিটাল অ্যারেস্ট বলে কোনও আইন নেই। একদল চতুর প্রতারক এই প্রতারণার পন্থা অবলম্বন করছে। পুলিশ প্রশাসন কখনওই ভিডিও কলের মাধ্যমে কাউকে ডিজিটাল অ্যারেস্টের কথা বলে না। তবে ইতিমধ্যেই অনেক সাধারণ মানুষ এই ডিজিটাল অ্যারেস্ট নামক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। প্রশাসন থেকে সতর্ক করা হচ্ছে এই ধরনের কোনওরকম প্রতারণার সন্দেহ হলেই তৎক্ষণাৎ স্থানীয় থানায় গিয়ে যোগাযোগ করতে।
Mainak Debnath






