এই পুষ্প অভিষেক উৎসবে স্থানীয় ভক্তদের পাশাপাশি মন্দিরের আবাসিক ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে, মায়াপুর থেকে আগত একাধিক মহারাজ ও বিশিষ্ট সাধু-ভক্তদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও মহিমামণ্ডিত হয়ে ওঠে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, বসুদেব নন্দন প্রভু ও বৈষ্ণব স্মরণদাস প্রভু-সহ আরও বহু বৈষ্ণব সন্ন্যাসী ও ভক্তবৃন্দ। তাঁদের নেতৃত্বে ভক্তিমূলক কীর্তন, শাস্ত্র পাঠ ও ভগবৎ আলোচনা অনুষ্ঠানের আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও গভীর করে তোলে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ শীতের সন্ধ্যায় নাট্যপ্রেমীদের জ্যাকপট! দুবরাজপুরে নাটকের মহাযজ্ঞ! সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রঙ্গমঞ্চ উপভোগ
স্থানীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট মহাকৃষ্ণ দাস এবং উৎপল দাসের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই পুষ্প অভিষেক উৎসবের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল নামে। রাধাকৃষ্ণের দর্শন ও পুষ্প অভিষেক প্রত্যক্ষ করতে শান্তিপুর শহর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা উপস্থিত হন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকল ভক্তদের জন্য বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় পাঁচ শতাধিক ভক্ত শান্তিপুর ও দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রসাদ গ্রহণ করেন। ভক্তিমূলক কীর্তন, পূজা ও প্রসাদের মাধ্যমে এই পুষ্প অভিষেক উৎসব শান্তিপুরে এক অনন্য ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি করে, যা ভক্তদের মনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।





