গ্রন্থাগারিক শোভন লাল মুর্মু জানান, “নতুন বছরের শুরুতেই পুরুলিয়া বইমেলা থেকে প্রায় ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে মোট ৯২টি নতুন বই সংগ্রহ করা হয়েছে। এই নতুন বই সংযোজনের ফলে পাঠকদের উৎসাহ যেমন বাড়বে, তেমনই বিভিন্ন বয়সের মানুষ আবারও গ্রন্থাগারমুখী হবেন। এই উদ্যোগ গ্রন্থাগারের পাঠচর্চায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে বলেই আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।”
advertisement
তবে গ্রন্থাগারের কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরেছেন গ্রন্থাগারিক। তিনি জানান, “এই গ্রন্থাগারটি সপ্তাহে মাত্র তিন দিন খোলা রাখা সম্ভব হচ্ছে। কারণ একইসঙ্গে আরেকটি গ্রন্থাগারের দায়িত্বও সামলাতে হয়। ফলে সময় ভাগ করে দু’টি গ্রন্থাগারেই তিন দিন করে পরিষেবা দিতে হচ্ছে। যা স্বাভাবিকভাবেই পাঠকদের জন্য কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি করছে।” এছাড়াও বর্তমান প্রজন্মের পাঠাভ্যাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
শোভন লালবাবুর মতে, “আজকের যুব সমাজ ক্রমশ মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল মাধ্যমের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছে, যার ফলে পাঠকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তবুও নতুন বই সংগ্রহ ও নানা উদ্যোগের মাধ্যমে আবার পাঠচর্চার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রঘুনাথপুর মহকুমার বৃহত্তম গ্রন্থাগার নতুনভাবে পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে এবং গ্রন্থাগারকে আরও পাঠকমুখী করে তুলতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। এই উদ্যোগ সফল হলে আগামী দিনে গ্রন্থাগারটি আবারও জ্ঞানচর্চা ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে, এমনটাই আশা সকলের।





