বিভিন্ন নামিদামি লেখকের বইয়ের পাশাপাশি। পুরুলিয়ার শিল্পসংস্কৃতি, লোকসংস্কৃতিকে, বইয়ের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। মানভূমের ইতিহাসকে কাছ থেকে জানার সুযোগ রয়েছে এই মেলায়। এছাড়াও প্রতিদিনই থাকছে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে জেলাশাসক সুধীর কন্থাম বলেন, বিগত ৪০ বছর ধরে এই মেলা হয়ে আসছে। আগামী দিনেও এই মেলা চলবে। শুরুর সময় থেকেই মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ রয়েছে তাতে আশা করা যাচ্ছে বইমেলা থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে।
advertisement
প্রযুক্তিগত উন্নতি হলেও যতদিন বই থাকবে ততদিন বইমেলাও চলবে। কারণ টেকনোলজি কখনই বইয়ের বিকল্প হতে পারে না। এ বিষয়ে বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কালিপদ সরেন বলেন, প্রযুক্তির উন্নতি হলেও বইয়ের গুরুত্ব ভুললে চলবে না। মানুষের প্রাথমিক লেখাপড়া থেকে উচ্চ শিক্ষা সবটাই বইয়ের উপর নির্ভরশীল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাই পুরোপুরি প্রযুক্তির উপর ভরসা করে যদি জীবনের গতি চলতে থাকে তাহলে মানুষ যান্ত্রিক হয়ে যাবে। তাই বই সর্বদাই বইয়ের জায়গায় থাকবে। এই বইমেলাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। অনুষ্ঠানের পূর্বে জেলা গ্রন্থাগার থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ‘বইয়ের জন্য হাঁটুন’ শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা হয়। সেখানে জেলার লোকসংস্কৃতি সাঁওতালি নৃত্য ছৌ নৃত্য তুলে ধরা হয়।





