১৯৮৬ সালে সিআরপিএফ-এ যোগদান করেন তিনি। এরপর টানা ৪০ টা বছর দীর্ঘ কর্মজীবন। ১৭১ ব্যাটেলিয়ানে সিআরপিএফ আসাম থেকে কর্মজীবন শেষ করে বাড়ি ফিরলেন তিনি। গ্রামের পা রাখতেই তাকে নিয়ে হইচই করে পড়ে যায়। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে ঢাক, ঢোল, ধামসা, ব্যান্ড বাজিয়ে তাঁকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান হয়। পুষ্পস্তবক ও মালা পরিয়ে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয় তাঁকে।
advertisement
আরও পড়ুন : পুতুল গ্রামে এখন ঘরে ঘরে ‘পৌষমাস’, দম ফেলার সময় নেই! পকেট ভর্তি করতে মেলায় যাওয়ার তোড়জোড়
একেবারে উৎসবের চেহারা নেয় গোটা গ্রাম। এ বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ মাহান্তি বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। বহু কঠিন সময়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে তার কর্মজীবনে। জীবন বাজি রেখে ভারত মায়ের প্রতি সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দায়িত্ব শেষে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। তাকে যেভাবে গ্রামবাসীরা স্বাগত জানিয়েছে, এতে তিনি আপ্লুত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন তিনি। দেশের নিরাপত্তায় চার দশক কাটিয়ে ঘরে ফিরেছেন রবীন্দ্রনাথ মাহান্তি। সম্মান ও শ্রদ্ধার মধ্যে দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় তাঁকে। পরিবারের সদস্যদের খুশির বাঁধ ভেঙে পড়ে। গ্রামবাসীদের মধ্যেও আবেগ, উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মত।





