সেই সমস্যা সমাধান করতেই এগিয়ে এসেছে ভারতীয় ডাক বিভাগ। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জায়গাতেই পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ মুখোশকে পৌঁছে দিতে ভারতীয় ডাক বিভাগের, রেল ডাক পরিষেবা উদ্যোগী হয়েছে। ডাক বিভাগের এই পদক্ষেপে খুশি চড়িদার শিল্পীরা। তবে সমস্যা একটাই রয়েছে। জেলা সদর থেকে পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার। যা যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই শিল্পীদের দাবি, পুরুলিয়া শহরের বদলে যদি বরাভূম রেলস্টেশন বা সুইসা রেলস্টেশনে এই পরিষেবা চালু করা হোক।
advertisement
আরও পড়ুন: সংস্কৃত শিখতে আর ভয় নেই! গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলল প্রাচীন ভাষা আয়ত্ত করার ‘ম্যাজিক’ ফর্মুলা
তাহলে তারা অনেকটাই উপকার পাবেন। এ বিষয়ে ছৌ মুখোশ শিল্পীরা বলেন, এই পরিষেবা চালু হয়ে তাদের অনেকটাই উপকার হয়েছে। আগে তাদের মুখোশ পৌঁছতে অনেকটাই খরচ হত, যা বর্তমানে কমেছে। কিন্তু সমস্যা একটা জায়গাতেই রয়েছে। পুরুলিয়া সদরে গিয়ে এই মুখোশ পৌঁছতে তাদের বেশ অনেকটাই খরচ হয়ে যাচ্ছে। তাই স্থানীয় রেল স্টেশনে যদি এই পরিষেবা শুরু হয়, তাহলে তাদের আরও সুবিধা হবে। এ বিষয়ে সাউথ ডিভিশনের পোস্টমাস্টার জেনারেল রিজু গাঙ্গুলী বলেন, শিল্পীদের শ্রম যাতে বৃথা না যায়, যাতে তারা যথাযোগ্য মূল্য পায় সেই চেষ্টাই করছে ভারতীয় ডাক বিভাগ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিল্পীদের আর বুকিং করতে যেতে হবে না। ডাক বিভাগের কর্মীরা একেবারেই শিল্পীদের দোরগোড়ায় গিয়ে মুখোশ সংগ্রহ করবে। তাদের একটাই লক্ষ্য, দুয়ারে ডাক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। এবার মাত্র একটি ফোনে ডাক কর্মীরা পৌঁছে যাবেন শিল্পী তথা বিক্রেতার কাছে। বাড়তি কোনও খরচ ছাড়া শুধুমাত্র নির্ধারিত স্পিড পোস্টের মূল্য দিয়ে পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ মুখোশ পাঠান যাবে দেশের যে কোনও প্রান্তে। এতে ছৌ মুখোশের শ্রী বৃদ্ধি হবে।





