এ বিষয়ে স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা জানান, স্কুলের এই অবস্থার সমাধানের জন্য তারা প্রশাসনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন করে জানানো হয়েছে। বর্তমান যে পরিস্থিতি তাতে স্কুলের পঠনপাঠন বিঘ্নিত ঘটছে। সমস্যা নিয়েই পড়াশোনা করছে পড়ুয়ারা। বিজ্ঞানের ছাত্রী তৈরি করতে গেলে তাদের জন্য অত্যাবশ্যক ল্যাবরেটরি ক্লাস। সে ক্ষেত্রে স্কুলের ফিজিক্স ল্যাব চালাতে হচ্ছে ত্রিপল খাটিয়ে। বর্ষার সময় হয় সব থেকে বেশি সমস্যা। অর্ধেক জায়গায় স্কুলের মাথায় ছাদ না থাকায় সেখানে ত্রিপল টাঙানো থাকে। কিন্তু সেই ত্রিপল ছেদ করে একেবারে জল বৃষ্টি ঢুকে পড়ে স্কুলের ভেতরে।
advertisement
আরও পড়ুন: শুধু দাঁড়িয়ে কাণ্ড! বাকি সব সাফ! গাছেদের প্রতি কেন এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে রেল, জানা গেল আসল কারণ
এই বিষয়ে জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখার্জি বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, স্কুলের পক্ষ থেকে শিক্ষা দফতরে আবেদন করা হয়েছে। তবে স্কুলের পক্ষ থেকে সাংসদের কাছে আবেদন আগেই জানানো উচিত ছিল। তাহলে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কোটার টাকায় দ্রুত সমস্যার সমাধান করা যেত। এর আগেও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকগুলি স্কুলকে তার সাংসদ কোটার টাকা বরাদ্দ করেছেন স্কুলের উন্নয়নের জন্য। কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন যাবৎ রাজ্যকে বঞ্চনা করছে তারপরেও রাজ্য সীমিত ক্ষমতার মধ্যে শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন ঘটানোর চেষ্টা করছে। তাই আশা করছি এই সমস্যার সমাধানও খুব দ্রুততার সঙ্গে হয়ে যাবে।”
রাহী হালদার





