আরও পড়ুন: জন্ম হোক বা মৃত্যু, হাসপাতাল থেকে শংসাপত্র পেতে নাজেহাল শান্তিপুরবাসী
সুকুমার উপাধ্যায় চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের একজন কনস্টেবল। চন্দননগর পুলিশের হেড কোয়ার্টার চুঁচুড়া পুলিশ লাইনে তাঁর পোস্টিং। মাঝে মধ্যেই তাঁকে ভিআইপি’র পাইলট ডিউটিতে যেতে হয় ডানকুনিতে। সম্প্রতি এক ভিআইপি পাইলট গাড়ির ডিউটি করতে ডানকুনি গিয়েছিলেন। তখন রাত হয়ে গিয়েছে, ভিআইপি’র আসতে কিছুটা দেরি। ফোন করে হাওড়ার পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। এমন সেময় ডানকুনির মাইতি পাড়া ব্রিজের কাছে দেখতে পান এক ব্যাক্তি অন্ধকারে জবুথবু হয়ে বসে আছে, ঠান্ডায় কাঁপছে। সামনে গিয়ে তাঁর নাম-ধাম জিজ্ঞাসা করলে কিছু উত্তর দেয় না। খিদে পেয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করায় পেটে হাত দেয়।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন:
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
এরপর সুকুমারবাবু তাঁর সহকর্মীদের বলেন, লোকটির হয়ত খিদে পেয়েছে। শীতের কাপরও নেই, চল বাজার থেকে কিনে আনি। পাইলট ডিউটে থাকা চারজনে টাকা তুলে তিন কিমি দূরে বাজার থেকে কম্বল, পোশাক, শুকনো খাবার ও জল কিনে এনে প্রৌঢ়কে দেন। মুখ দেখে বোঝা যায় এই আকস্মিক উপহার পেয়ে তিনি খুশি হয়েছেন। এরপর ডিউটি মেনে জাতীয় সড়ক ধরে হুটার বাজিয়ে বর্ধমানের দিকে এগিয়ে যায় সুকুমারদের পাইলট। সুকুমার উপাধ্যায় এর আগেও একাধিক ভবঘুরেকে ঘরে ফিরিয়েছেন। করোনাকালে নিজের সামর্থে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অসহায় মানুষ দেখলে সাহায্য করতে এগিয়ে যান সব সময়।
রাহী হালদার






