আরও পড়ুন: মুখোমুখি ধাক্কা মারল বেপরোয়া বাস! রাস্তাতেই প্রাণ গেল কনস্টেবলের
পথের সাথী প্রকল্পে মূলত রাস্তাঘাট সারানো হলেও আরও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করা হয় এর মধ্যে। রাজ্য সড়কের ধারে বেশ কিছু জায়গায় গড়ে ওঠে পথের সাথী আবাসন। কিন্তু শান্তিপুরের পথের সাথী আবাসন দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়ে থাকায় সেটি জঞ্জালের স্তূপে পরিণত হয়েছে।
advertisement
শান্তিপুর থানার অন্তর্গত বাইপাস মোড়ের কাছে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছিল পথের সাথী আবাসন। বর্তমানে সেই আবাসন ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। মানুষজনের আনাগোনা নেই, ফলে নেই পরিচর্যা। কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি দিনের পর দিন পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, তাঁত শাড়ি, আম বাগানের আম কিংবা যে কোনও প্রয়োজনে বাইরে থেকে মানুষ শান্তিপুরে এলে রাতে থাকার স্বল্পমূল্যে নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ছিল এটি। এতে বাইরে থেকে আসা মানুষটি যেমন উপকৃত হতো তেমনি পথের সাথী আবাসনের পরিচর্যা করে ও আবাসিকদের খাবার দিয়ে আয়ের মুখ দেখেছিল স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। কিন্তু বর্তমানে কংক্রিটের দেওয়াল ক্রমশই গ্রাস করেছে লতাপাতা, সাপ এবং বিষাক্ত কীটপতঙ্গদের আখড়া হয়ে উঠেছে। সেখানে বাড়ছে অসামাজিক কাজকর্ম।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
এই নিয়ে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার কটাক্ষ করে বলেন, একই প্রতিষ্ঠান বারবার উদ্বোধন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসা যায়, কিন্তু সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা পরিচর্যা নিয়ে নির্দিষ্ট ভাবনাচিন্তার প্রয়োজন। অন্যদিকে স্থানীয় বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, এই অবসান টি পর্যটন বিভাগের হাতে। এটি খোলা ও রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য জানানো হয়েছে।
মৈনাক দেবনাথ






