অথচ এই রাস্তা একটি গ্রামের জন্য জীবন-মরণের সেতু। কারণ এই পথ ধরেই মৃতদেহ কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয় এলাকার কবরস্থানে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছর বছর শুধুই প্রতিশ্রুতি মিলেছে। বাস্তবিক উন্নয়ন আজও অধরা। গ্রামের বাসিন্দা জসিম খান স্পষ্টভাবেই বলেন, “এই রাস্তায় মরার পরেও শান্তি নেই। জীবদ্দশার যাত্রা তো কষ্টকর, মৃতদেহ নিয়ে যাওয়াই যেন যুদ্ধ।”
advertisement
আরও পড়ুন : বিশ্বভারতীর মুকুটে নতুন পালক! বোলপুরে শান্তিনিকেতনে বেড়াতে যাওয়ার আগে জেনে নিন বড় খবর
এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার জেরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বহুবার রাস্তা সংস্কারের দাবিতে আবেদন করা হলেও, এখনও তা বাস্তবায়িত হয়নি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, কাজের টেন্ডার বা প্রকল্প নিয়ে কোনও পরিষ্কার তথ্য তাদের জানানো হয় না। খয়রাশোল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শ্যামল কুমার গায়েন ফোন মারফত জানিয়েছেন, “রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। অনেক ব্যয়সাধ্য প্রকল্প হওয়ায় বিষয়টি জেলা পরিষদ এবং ব্লকে পাঠানো হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি আরও বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের প্রথম তালিকায় এই রাস্তাটির নাম রয়েছে। আনুমানিক এক কোটি টাকার ব্যয় ধরা হয়েছে। আশা করছি, খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।” তবে এই “আশা করছি” শব্দটি যেন স্থানীয়দের কাছে বছরের পর বছর ধরে এক পরিচিত শব্দবন্ধ। জসিম খান ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “আমার বয়স ৩৬। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, এই রাস্তাটা হবে। আজও সেই ভাঙা রাস্তা।”
সুদীপ্ত গড়াই





