বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়ি ১ ব্লকের নগরী পঞ্চায়েতে এমনই একটি অদ্ভুত গ্রাম রয়েছে, যার নাম চাঁদপুর। এলাকাবাসী ও পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই গ্রাম তাঁরা দেখে আসছেন৷ এই আদ্ভুত গ্রাম দেখতে দূর দুরন্ত থেকে ছুটে আসেন অনেক মানুষজনও। বীরভূমের সিউড়ি শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই গ্রাম।
advertisement
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
পাথরচাপুড়ি মাজার থেকে পিছন দিকে প্রায় কিলোমিটার দুয়েক রাস্তা গেলেই মিলবে একটি জঙ্গল। সেখান থেকে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে রয়েছে একটি পিচের রাস্তা। আর যেতেই রাস্তার ঠিক পাশেই দেখা যাবে একটি মাজার ও দুটি বাড়ি। ওই এলাকাটি হল চাঁদপুর গ্রাম। সেখানে বসবাস করেন একই পরিবারের মোট ১৬ জনের সদস্য।
আরও পড়ুন Srijit-Mithila: বহুদূরে মিথিলা, দিলেন বিশেষ সুখবর! আপ্লুত সৃজিত, সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন
ওই পরিবারের এক সদস্য আব্দুল ফিরোজ জানান, ওই গ্রামে একটা মাজার রয়েছে। সেই মাজার দেখভালের জন্য তাঁর দাদু আব্দুল হামিদ ওই গ্রামে আসেন। সেখানেই তিনি মাজারের বসবাস করতেন। তাঁর দুই সন্তান। তাঁরা দুটি পৃথক বাড়ি করেছেন। বর্তমানে ওই দুটি বাড়িই নিয়েই এই গ্রাম। ফিরোজবাবু জানান, বংশ পরম্পরা ধরে সেখানে থাকছেন। তাঁরা মূলত ওই মাজারের দেখভাল করেন। আর কাজ কর্মের জন্য তাঁদের যেতে হয় পাথরচাপুড়ি গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের থেকে জানা গিয়েছে, বহুকাল আগে বর্ধমানের রাজা জায়গা দিয়েছিলেন। সেই জায়গাতেই ওই বাড়ি নির্মাণ করা হয়। বর্তমান ওই বাড়ি ও মাজার ছাড়া বাকি অধিকাংশ এলাকা বন দফতরের। সুতরাং কেও চায়লেও সেখানে ঘর বানাতে পারবে না। তাই আজও সেখানে মাত্র দুটি বাড়ি নিয়েই চলছে সম্পূর্ণ একটি গ্রাম। তাই আপনি যদি বীরভূম আসেন তাহলে অবশ্যই ঘুরে আসুন এই অদ্ভুত গ্রাম থেকে।
সৌভিক রায়





