শীত পড়তেই উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে গেলেই প্রায় সময় এই মৌমাছি চাষের ছবি দেখা যায়। মৌমাছি চাষের জন্য ২৯০ খানা মৌ বাক্স বসানো আছে। একেকটি মৌ বাক্সে ফ্রেম থাকে। এই বাক্সে মৌমাছি প্রতিপালনের কয়েকদিন পর তার থেকে মধু বের করা হয়। আড়াই থেকে তিন কেজি পর্যন্ত একটি বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করে থাকেন তারা। মূলত শীতের মরশুমে মৌমাছি চাষ শুরু করা হয়। এই মৌমাছি চাষ করে এর থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়। এই মৌমাছি চাষ করতে বিভিন্ন উপকরণের প্রয়োজন পড়ে। যেমন শীতের প্রকোপে যাতে মৌমাছি পালনে কোন রকম সংক্রমণ না হয় তার জন্য সালফার মিঠাই জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন মধু চাষিরা। জেলা থেকে মধু সংগ্রহ করে নামিদামি বহু বহুজাতিক সংস্থায় বিক্রি করেন মধু চাষিরা।
advertisement
আরও পড়ুন: বেসন, চালের গুঁড়ো, কালোজিরে…বাড়িতেই বানান মুচমুচে ক্যাপসিকামের চপ! রইল সহজ রেসিপি
আরও পড়ুন: বাউল গান মানেই একতারা, জানেন, কীভাবে তৈরি হয় এই বাদ্যযন্ত্রটি? পড়ুন
এক মধু চাষি জানান, “৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। আগামী তিন মাস ধরে বিনিয়োগের টাকা তোলার পাশাপাশি লাভের অংশ তুলতে হয়। মধুর কত দাম হবে তা ঠিক করে সংস্থাগুলো। আবহাওয়া ভাল থাকলে মধু চাষ ভাল। এ মধু বাজারে কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এভাবে মৌমাছি চাষ করে আপনি মোটা টাকা উপার্জন করতে পারবেন।”
পিয়া গুপ্তা





