পুবের বাড়ির অঙ্গনে সাজানো হয়েছে হরেক রকম হাতের কারুকার্য ও হস্তশিল্পের স্টল। মাটির কাজ, কাঠের শিল্প, বেত ও পাটের সামগ্রী, রঙিন আলপনা ও ঘর সাজানোর নানা সামগ্রীতে ভরে উঠেছে প্রতিটি কোণা। পাশাপাশি শীতের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে নানা রকম পিঠেপুলি ও গ্রামীণ স্বাদের খাবারের স্টল, যা দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দিচ্ছে।
advertisement
আরও পড়ুন: বিশ্বমঞ্চে পূর্ব বর্ধমানের সাফল্য, গাজিয়াবাদে যোগা বিশ্বকাপে পদক জয় জেলার পড়ুয়াদের
উল্লেখযোগ্য দিক হল, উত্তর ২৪ পরগনার পুবের বাড়ির এই সমস্ত স্টল পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন স্থানীয় মহিলারাই। নিজেদের হাতের তৈরি শিল্পকর্ম ও খাবারের মাধ্যমে তাঁরা যেমন আত্মনির্ভরতার দৃষ্টান্ত রাখছেন, তেমনই তুলে ধরছেন গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে। পর্যটকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও আন্তরিকতা আলাদা মাত্রা যোগ করেছে এই আয়োজনকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দিনের পর দিন জেলা তো বটেই, ভিন রাজ্য থেকেও বহু পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন টাকিতে। ইছামতি নদীর বুকে নৌকা বিহার, মিনি সুন্দরবনের সবুজ প্রকৃতি উপভোগের পাশাপাশি প্রাচীন পুবের বাড়িতে এসে তাঁরা পাচ্ছেন এক শান্ত, স্নিগ্ধ পরিবেশ। অনেকের কাছেই এই অভিজ্ঞতা যেন শান্তিনিকেতনের মতোই মন ছুঁয়ে যাওয়া। সব মিলিয়ে বর্ষ শেষের এই সময়ে টাকির পুবের বাড়ি হয়ে উঠেছে ইতিহাস, শিল্প, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির এক অনন্য মিলনস্থল। নতুন বছরের প্রাক্কালে এমন সৌন্দর্য ও শান্তির আবেশ পর্যটকদের কাছে নিঃসন্দেহে এক বাড়তি পাওনা হয়ে থাকছে।





