বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট, টাকি, বাদুড়িয়া, ভেবিয়া, শায়েস্তানগর, মালতিপুর-সহ একাধিক এলাকার মিষ্টির দোকানে সারা বছরই কাঁচাগোল্লার চাহিদা তুঙ্গে থাকে। বিশেষ করে শীতকালে নলেন গুড় দিয়ে তৈরি কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিতে ভিড় জমান শুধু জেলা বা রাজ্যের মানুষই নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মিষ্টিপ্রেমীরাও। গরুর দুধ থেকে ছানা তৈরি করে, বছরের অধিকাংশ সময় চিনি ও শীতের মরশুমে খাঁটি গুড় মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয় এই কাঁচাগোল্লা। ইতিহাস বলছে, প্রায় ৪০০ বছর ধরে বসিরহাট অঞ্চলে এই মিষ্টি তৈরির এক নিজস্ব সংস্কৃতি চলে আসছে, যা আজও অটুট।
advertisement
আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক ময়দানে হাইভোল্টেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট! দূর-দূরান্ত থেকে আসছে টিম, প্রাইজ মানিও বেশ আকর্ষণীয়
এই ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি দিতে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট টাকি রোড চৌমাথা মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিজয়া সম্মিলনীতে বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মিষ্টি ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে জিআই ট্যাগের দাবি তোলেন। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী প্রদীপ ঘোষ ও চন্দন ঘোষদের বক্তব্য, “বসিরহাটের কাঁচাগোল্লা জিআই ট্যাগ পেলে এর পরিচিতি আরও বাড়বে। পাশাপাশি মিষ্টির গুণগত মান রক্ষা হবে এবং উপকৃত হবেন গোয়ালা, কারিগর থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরাও।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই এই দাবি নিয়ে রাজ্যের বিজ্ঞান ও কারিগরি দফতরে ডেপুটেশন দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, বসিরহাটের ঐতিহ্যবাহী কাঁচাগোল্লা জিআই ট্যাগ পেয়ে স্বীকৃতির মুকুট পরবে কি না, সে উত্তর দেবে সময়ই।





