ওই দুই নার্স ৫ জানুয়ারি থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। পরে কল্যাণী এইমস-এ পরীক্ষার পর তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। বিষয়টি অবিলম্বে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে জানানো হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে পুনরায় তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। ঘটনার পরই রাজ্য সরকারের তরফে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং শুরু করা হয়েছে। আক্রান্ত দুই নার্স যে বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত, সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আক্রান্তদের চিকিৎসায় যাবতীয় সহায়তা করবে রাজ্য সরকার বলেও জানানো হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: জয়নগরে ‘এই’ জায়গার মোয়া মানেই এখন ল্যাব-টেস্টেড, দোকানেই আস্ত পরীক্ষাগার! বাজারে তোলপাড়
পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, নিপা ভাইরাসের বাহক হল বাদুড়। সাধারণত বাদুড়ের দেহরসের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। সেই কারণে ফল ও সবজিতে কামড়ের দাগ থাকলে তা না খাওয়ার এবং বাজার থেকে কেনা ফল-সবজি ভাল করে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি ফল-সবজি হাত দেওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যাঁদের জ্বর, মাথাব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ রয়েছে, তাঁদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বাংলায় ভয়াবহ আকার নিয়েছিল নিপা ভাইরাস। শিলিগুড়িতে সেই সময় জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বহু মানুষ আক্রান্ত হন এবং অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই স্মৃতি এখনও রাজ্যবাসীর মনে তাজা থাকায়, নতুন করে নিপা আক্রান্তের খবরে জেলাজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।






