সকাল ১০টায় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। বিষয়বস্তু হল নিজেদের স্কুল, এরপর শ্রুতি লিখন বাংলা এবং ইংরেজিতে ১৫ মিনিট করে, তারপর কবিতা আবৃত্তি, এরপর বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের আগ্রহের রুবিক্স কিউব সাজানো এবং সবশেষে দাবা প্রতিযোগিতা। এ ধরনের অভিনব বিষয় যা একসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা আবারও ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীরাও অতীতের না জানা বিষয়ে এবং বর্তমানের তাদের আগ্রহের বিষয় নিয়ে এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত খুশি বলে জানিয়েছে।
advertisement
শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানাচ্ছেন, বিদ্যালয় গত বছর অনুমোদন পেলেও ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা সম্পূর্ণভাবে চালু হচ্ছে। এ বছর প্রথম তারই প্রাক্কালে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের এই প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ উঁচু ক্লাসের ছেলেমেয়েরা তা পরিচালনা করা এবং বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং আন্তরিকতা অনেকটাই বাড়বে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শান্তিপুরের এই সরকারি বিদ্যালয় বর্তমানে একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়াল অন্যান্য সমস্ত সরকারি বিদ্যালয়গুলির কাছে। যেখানে ধীরে ধীরে অভিভাবকেরা সরকারি বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু চেষ্টা এবং সদিচ্ছা থাকলে প্রতিষ্ঠান যাই হোক না কেন শিক্ষার অভাব হয় না তার জ্বলন্ত উদাহরণ শান্তিপুরের এই সরকারি বিদ্যালয়।





