এর আগেও দিল্লি ও হরিয়ানা দলের বিরুদ্ধে খেলে নিজের প্রতিভার প্রমাণ রেখেছে নন্দিতা। আশ্চর্যের বিষয়, ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছে খুব বেশিদিন হয়নি। তা সত্ত্বেও দুরন্ত গতিতে এগিয়ে তিনি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পেয়ে যায়। বর্তমানে স্ট্রাইকার পজিশনে খেলে নন্দিতা। গোলের সামনে তাঁর আত্মবিশ্বাস প্রশংসনীয়।
আরও পড়ুনঃ জল নেওয়ার নাম করে বাড়িতে ডেকে গুলি! ক্রিকেট-বিবাদ থেকে রক্তারক্তি কাণ্ড, উত্তপ্ত কালিয়াচক
advertisement
নবদ্বীপের নবদ্বীপ এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নন্দিতা ফুটবলকে শুধু খেলা নয়, ভবিষ্যৎ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। সে জানায়, আগামী দিনে ফুটবল খেলেই এগিয়ে যেতে চায়। দেশের জার্সিতে মাঠে নামাই তাঁর স্বপ্ন। নন্দিতার এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে পরিবার, স্কুল এবং পাড়া-প্রতিবেশীদের অকুণ্ঠ সমর্থন।
নন্দিতার বাবা পবিত্র সর্দার পেশায় দিনমজুর। তিনিই মেয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা। নদিয়া জেলার এক আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা পবিত্রবাবু নিজেই মেয়েকে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ দেন। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় তিনি মেয়ের সঙ্গে মাঠে গিয়ে অনুশীলন করান, পাশে থেকে সাহস জোগান। অন্যদিকে নন্দিতার মা গৃহবধূ, দরিদ্র পরিবারের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মেয়ের স্বপ্নে কোনও বাধা আসতে দেননি তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নন্দিতার সাফল্যে গর্বিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চ্যাটার্জী। তাঁর কথায়, “ও প্রমাণ করেছে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনও মনের শক্তিকে আটকাতে পারে না।” অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর পরিবার-স্কুলের সহায়তায় ‘নন্দিতা সর্দার’ আজ শুধু একটি নাম নয়, সে বহু দৃষ্টিহীন শিশুর স্বপ্ন দেখার সাহস।





