ফরাক্কা ব্যারেজ পরিদর্শন করে টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি টিম। এর পাশাপাশি বীরনগর ফিটার ক্যানেল পরিদর্শন করেন। মূলত নতুন বছরের শুরুতেই বাজেটের আগেই ফরাক্কা ব্যারেজ নাব্যতা পরিদর্শন করা হয়। ফরাক্কা ব্যারেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলবন্টন দিয়ে ১৯৯৬ সালে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। এই চুক্তির মেয়াদ রয়েছে এ বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত।
advertisement
এই চুক্তি অনুসারে শুখা মরশুমে দুই দেশ ফারাক্কা ব্যারেজের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ জল পেয়ে থাকে। তাই জলবন্টন চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই ফরাক্কা ব্যারেজ পরিদর্শনে এলেন কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় জল সম্পদ দফতরের প্রতিনিধি দল। গঙ্গার জল চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশই বছরের ১জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত গঙ্গা ও পদ্মার বিভিন্ন নির্ধারিত পয়েন্টে জলের স্তর পরিমাপ করে ৷
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রতি ১০ দিন অন্তর সেই পরিমাপ রেকর্ড করা হয় বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তি৷ ৩০ বছর মেয়াদের সেই চুক্তি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে। অবশ্য, দুই দেশ ইতিমধ্যেই এই চুক্তি পুণর্নবিকরণের বিষয়ে আলোচনাও শুরু করেছে বলে খবর। অন্যদিকে, এখনও তিস্তার জল বন্টন নিয়ে কোনও চুক্তি বা ঐক্যমত্যে আসতে পারেনি ভারত-বাংলাদেশ ৷ তার আগেই চলতি বছর শেষ হচ্ছে গঙ্গা জল বন্টন চুক্তি।





