মৃতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতোই বিড়ি ধরিয়ে ছিলেন মতিলাল। কিন্তু এদিন এমন ঘটে যাবে কল্পনাও করেননি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা টের পাননি পরিবারের কেউই। প্রৌঢ়ের চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই মৃত্যু হয় ওই প্রৌঢ়ের।
advertisement
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই প্রৌঢ় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রাতের খাওয়া-দাওয়ার পর বিছানার উপরে বসে বিড়ি ধরিয়েছিলেন। কখন বিড়ির আগুন বিছানায় পড়েছে তিনি বুঝতেও পারেননি। যখন কম্বলে আগুন ধরে গিয়েছে তখন তিনি চিৎকার শুরু করেন। তাকে উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই ঘটনায় কান্নার রোল নেমে এসেছে গোটা পরিবার-সহ গ্রাম জুড়ে। বৃহস্পতিবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, বিড়ি ধরাতে গিয়েই এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।






