স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে ওই মহিলার ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। বারবার ডাকাডাকির পরও সাড়া না মেলায় জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়, ঘরের মেঝেতে মা ও শিশুকন্যা অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং সিলিং থেকে ঝুলছে একটি ওড়না।
advertisement
মা ও মেয়ের এ কী কাণ্ড
তড়িঘড়ি স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দু’জনকে উদ্ধার করে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা শিশু কন্যাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে মা গুরুতর অবস্থায় বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকেন। ফলে মহিলা দীর্ঘদিন ধরে শিশুকন্যাকে নিয়ে একাই বাড়িতে থাকতেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, প্রথমে সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়, এরপর নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করে মা। তবে আত্মহত্যার সময় ওড়না ছিঁড়ে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পিছনে কী কারণ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন মৃত শিশুর বাবা। নিষ্পাপ শিশুর নিথর দেহ কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। হঠাৎ কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল, তা বুঝে উঠতে পারছেন না বলেই জানান তিনি। এমত অবস্থায় তিনি কথা বলতে পারছেন না। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ।
Mainak Debnath






