জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (উন্নয়ন) চিরন্তন প্রামাণিক জানিয়েছেন, “বিভিন্ন দোকানের খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কলকাতার ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়।” কিন্তু শহর থেকে গ্রামের বিভিন্ন দোকানের দুগ্ধজাত খাবার থেকে বিরিয়ানি সহ যাবতীয় ফাস্ট ফুডের মান দ্রুত নির্ণয়ের ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। ফলে দোকানের ঝলমলে আলোর আড়ালে দূষিত ভেজাল খাবার দেদার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ। সুস্বাদু ভেবে তৃপ্তিতে মুখেও পুরছেন নানা বয়সী ক্রেতারা। যদিও বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ শহরের হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে বছরে এক থেকে দুবার অভিযান চালিয়ে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু খাবারের নমুনার রিপোর্ট কলকাতা থেকে জেলায় ফিরতে আসতে ছয় মাস থেকে বছর পার হয়ে যায়। এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগ নিয়ে অনেক দোকানে ভেজাল খাবার বিক্রি অব্যহত। বাস্তবে আইন থেকেও পার পেয়ে যান বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা।
advertisement
আরও পড়ুন: ভূস্বর্গের ফুল ফুটছে নবাবের জেলায়! অবাক করলেন এই ব্যক্তি
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (এফএসএসএআই) থেকে এই অত্যাধুনিক এই গাড়িটি আনা হয়েছে। পরীক্ষার জন্যে যাবতীয় সরঞ্জাম রয়েছে। মাইক্রোওয়েভ, কম্পিউটার, ভেজাল খাবার সংরক্ষণ করার ফ্রিজ এবং আগুন নেভানোর সিলিন্ডারও রয়েছে ওই গাড়িতে। ওই গাড়িতে থাকবেন ফুড সেফটি অফিসারেরাও। দুধে ভেজাল মিশেছে কি না, ভোজ্য তেলে শরীরের পক্ষে ভাল কি না, মিষ্টিতে নিষিদ্ধ রং আছে কি না, সবই পরীক্ষার বন্দোবস্ত রয়েছে এই ভ্রাম্যমাণ ল্যবরেটরিতে।
কৌশিক অধিকারী





