এ বিষয়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এক সদস্যা জানান , কলকাতা থেকে তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে এই সমস্ত সামগ্রী কীভাবে বানাতে হয় তা শিখেছেন। ১২ জন মহিলা মিলেএই কাউন্টার খুলেছে। সপ্তাহে দুদিন তারা এই কাউন্টার চালু রাখবে।এ বিষয়ে ওই বেসরকারি সংস্থার এক কর্মী জানান , একটা সময় গ্রাম বাংলার মানুষেরা নিত্য খাবারের তালিকায় মিলেটকে রাখত। কিন্তু এখন সেই ভাবে মিলেট খেতে দেখা যায় না। তাই নিত্য খাবারের তালিকায় মিলেটকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে তারা স্নাক্স এর উপর জোর দিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন : পাথরের খাঁজে গভীর খাদ ও নীল জলশয় , ঘুরে যান পুরুলিয়ার এই জায়গা!
এখন আপাতত একটি ছোট কাউন্টার হুড়া ব্লকে চালু করা হলেও আগামী দিনে মিলেটের বড় ক্যাফে তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এছাড়াও আগামী দিনে পুরুলিয়ার জেলা গ্রামোন্নয়ন সংস্থা ও কৃষি দফতরেও মিলেটের ক্যাফে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।জোয়ার , বাজরা, রাগি সহ কয়েকটি মোটা দানা খাদ্যশস্যকেই বলে মিলেট। এই মিলেটের মধ্যে বহু গুণাগুন রয়েছে বলে এর উৎপাদন বৃদ্ধিতে এখন জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
এই শস্য গুলির পুষ্টির মাত্রা যেমন বেশি তেমনই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী। চলতি বছরকে ইন্টারন্যশনাল ইয়ার অফ মিলেট বলে ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রসংঘ।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
তাই এই সুপার ফুড মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





