এর পরেই খবর দেওয়া হয় খড়গপুরের ফায়ার ব্রিগেডকে। কিন্তু দূরত্ব অনেকটা হওয়ায় দমকলের আসতে অনেকটা সময় লেগে যাওয়ার কথা। ততক্ষণে গুদামের আগুন আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি তাড়াতাড়ি খবর দেয় রেশমি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অভিজিৎ চৌধুরী ওরফে ভাস্কর ও লিগল হেড তাপস নাথকে।
advertisement
খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে আসে রেশমি গ্রুপের দু’টি বড় দমকলের গাড়ি। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। কয়েক মিনিটের মধ্যে ভয়ঙ্কর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্ক্র্যাপ গুদামের আশেপাশে বসতি এলাকা রয়েছে। যেখানে প্রচুর মানুষের বসবাস। আগুন যদি ছড়িয়ে পড়ত তাহলে ভয়ঙ্কর কোন পরিণতি হত বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
এই বিষয়ে জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি গোপাল খাটুয়া জানান, গুদামটি স্থানীয় বাসিন্দা শেখ মন্টুর। গুদামটিতে পরিত্যক্ত ড্রাম ও অন্যান্য সামগ্রী মজুত রাখা ছিল। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোন হতাহত বা আহত হওয়ার খবর না পাওয়া গেলও প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হল স্ক্র্যাপ গোডাউন মালিক শেখ মন্টুকে।
