পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে অনন্ত বিশ্বাসের স্ত্রী মারা যান। স্ত্রীর শ্রাদ্ধ ও শান্তির কাজের জন্য তাঁর ছেলে পতিতপাবন বিশ্বাসের শাশুড়ি এসেছিলেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত অনন্ত বিশ্বাস সন্দেহ করতে থাকেন যে বৌমা ও তাঁর মা নাকি তুকতাক বা কালোজাদু করে সম্পত্তি দখল করতে চাইছে। এই সন্দেহের বশেই কুড়ুল নিয়ে পাশের ঘরে শুয়ে থাকা বৌমা ও তাঁর মাকে এলোপাথাড়ি কোপান। এলাকাবাসীর দাবি, ভোররাতে চিৎকার চেঁচামেচি শোনা গেলেও পরে আর শব্দ না পেয়ে কেউ গুরুত্ব দেননি।
advertisement
ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ছেলে বাড়ি ফিরে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি। বাবাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নাকি বলেন, “তোর পথের কাঁটা সরিয়ে দিয়েছি।” ছেলের কান্না শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। খবর পেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রানাঘাট থানায় ফোন করেন। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিশ মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ব্যবহৃত কুড়ুল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।






