কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সঙ্গে বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক তুলনামূলক ভাবে ভাল৷ কিন্তু অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রথম থেকেই আপত্তি রয়েছে৷ কারণ বঙ্গ রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের কঠোর সমালোচক বলেই পরিচিত অধীর৷ শুধু তাই নয়, তৃণমূলের সঙ্গে এ রাজ্যে কংগ্রেসের জোট নিয়েও এ রাজ্যের একাধিক কংগ্রেস নেতার প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল৷
advertisement
আরও পড়ুন: ন্যায়যাত্রার মাঝেই ‘বিশৃঙ্খলা’! মালদহে ভাঙল রাহুল গান্ধির গাড়ির কাচ! কী পড়েছে? উত্তরে যা বললেন অধীর
এ দিন মালদহের সভা থেকে কংগ্রেসকে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে্ন, ‘আমি বলেছিলাম তোমাদের একটাও এমএলএ নেই, তবু মালদহের দুটো সিট আমি ছেড়ে দিচ্ছি৷ জিতিয়ে দেবো৷ বলল না হবে না৷ আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম ছেড়ে দেও নমস্কার৷ কটা আসন ছাড়ব, বিয়াল্লিশটাই? তার পরে সবকটায় বিজেপি জিতুক৷’
যদিও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার জন্য এ দিনও সরাসরি সিপিএমকেই দায়ী করেছেন তৃণমূলনেত্রী৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সিপিএম বিজেপির সবথেকে বড় দালাল৷ ওরা আমার মাথায় মেরেছে, পায়ে মেরেছে, চোখে মেরেছে৷ কী না অত্যাচার করেছে৷ কোনও দিন ক্ষমা করতে পারব না৷’
এ দিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি একাই লড়ব৷ আমার সেই হিম্মত আছে৷ ভারতবর্ষে কেউ যদি বিজেপিকে হারাতে পারে সেটা হল তৃণমূল কংগ্রেস৷’
মালদহ জেলায় দুটি লোকসভা আসন রয়েছে, সেগুলি হল মালদহ উত্তর এবং মালদহ দক্ষিণ৷ এর মধ্যে মালদহ উত্তর আসনটি বিজেপির দখলে রয়েছে৷ মমতার ঘোষণা থেকে স্পষ্ট, কংগ্রেসকে তাদের জেতা একটি আসনই ছাড়তে রাজি ছিল তৃণমূল নেতৃত্ব৷ কারণ এ রাজ্যে মালদহ দক্ষিণ ছাড়া একমাত্র বহরমপুরই কংগ্রেসের দখলে রয়েছে৷ যেখানকার সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী৷
