প্রায় ৬০০ বিঘা জমির উপর এই হ্রদ। মূলত গোবরডাঙ্গা ও মেদিয়ার উদ্বাস্তু কলোনির কয়েকটি গ্রাম এই জলাশয়টিকে ঘিরে রেখেছে। হ্রদের একদিকে গোবরডাঙ্গা ও অপরদিকে স্বরূপনগর। বাওরের দুই পাড়ে রয়েছে প্রায় ৩০০ মৎস্যজীবী পরিবার। এই বাওরই তাদের ভাত জোগায়। বর্ষায় এই হ্রদ জলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন যেন ভরা যৌবনের রূপ বাওরের। শীতে বাওর ল্যাসময়, দেশ-বিদেশের হাজারও পাখি তখন ভিড় জমায় এই হ্রদে। হাজির হয় সাইবেরিয়ান বালি হাঁস, পানকৌড়ি, মাছরাঙ্গা, সরালি থেকে আরও নানা প্রজাতি।
advertisement
আরও পড়ুন: জেটি হয়েও লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না! কি যে হবে ভেবে পাচ্ছেন না পাথরপ্রতিমার বাসিন্দারা
বাওরের তীরে তাল গাছে বাসা বাঁধে বাবুই। বসন্তের ছোঁয়ায় লাল চোখ কোকিল খুঁজে বেড়ায় তার প্রিয়তমাকে। তাই এখানে ঘুরতে আসা মানুষজন হারিয়ে যান প্রকৃতির কোলে। বর্তমানে তাই এই বাওরকে ঘিরে এলাকার মানুষের দাবি তৈরি হোক একটি ইকো ট্যুরিজম। পরিকল্পনা মাফিক একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে বদলে যাবে এলাকার আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাখি প্রেমীদের সারা বছরই ভিড় লেগে থাকে কঙ্কণা বাওরে। এই ভিড়কে যদি বাণিজ্যে রূপান্তরিত করা যায়, তাহলে সুখের মুখ দেখতে পারেন এলাকার মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে অগুন্তি মানুষ। প্রশাসনের তরফ থেকেও বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এখন দেখার প্রকৃতির এই সুন্দর রূপকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আগামীদিনে কি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
Rudra Narayan Roy





